হাইমচর প্রতিনিধি:হাইমচরে বহুল আলোচিত সম্পত্তি নিয়ে প্রায় দুই তিন বছর একাধিক মামলা হামলা রক্তক্ষয় সংঘর্ষ হয়ে আসছিল। হাইমচর উপজেলার শহীদ মিজি, সিরাজ মিজি নামীয় দুই ভ্রাতাদের এবং আরেক ভাই হানিফ মিজি সহ উত্তর আলী ৬ নং ওয়ার্ডের থেকে শুরু করে দক্ষিন আলী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত শহীদ মিজি নামীয় ব্যক্তি একাধিক জাল জালিয়াতি করে এলাকার প্রায় ১৫-২০ পরিবারকে মিথ্যা হয়রানি করে আসছে। বিভিন্ন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রমানিত হয় তাহারি ধারাবাহিকতায় শান্তির লক্ষ্যে সমাধান করতে স্থানীয় লোকজন সহ একাধিক বার মীমাংসা করার জন্য চেষ্টা করে যান তারই গতানুগতিক ধারায় গত ০৬/০৭/২০২৫ ইং তারিখে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম (মনাসাহ) (৫৫)নামীয় ব্যক্তি আ হব্বায়ক হয়ে উভয় পক্ষের ০৬ জন সালিশ এলাকার প্রায় ৩০-৪০ জন সাধারণ জনগণের সামনে উভয় পক্ষের বিষয় সুনে, জেনে সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি আপোষ নামার সিদ্ধান্তেঃ উপস্থিত ২ দ্বিতীয় পক্ষের সালিশ বাচ্চু শনির হস্ত লিখিত একখানা সাদাকাগজে ১ নং সালিশের মৌখিক বলা আপোষ মিমাংসার শর্তাবলি সকলের সামনে লিপিবদ্ধ করে। নিচে লিখক বাচ্চুশনি লিখে স্বাক্ষর করেন। এবং সিদ্ধান্ত সকলকে পড়ে শুনানোহয়।স্বাক্ষরিত সকলের পরামর্শে ০৬ নং সালিশ ফরিদ এর মাধ্যমে ১০০+১০০+১০০= ৩০০ টাকার ৩ টি ননজুডিসিয়াল স্টাম্পে লিপিবদ্ধ করাহয়। এবং আহ্বায়ক খোরশেদ আলম মনাসাহ( ৫৫) কে দেওয়া হয় তিনি এক মাস সময় নিয়ে সকল সালিশ এবং সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিয়ে আবারো সকলকে ডেকে বৈঠক করে তিনটি স্ট্যাম্প রোটারি করা হবে বলে আহবায়ক মনসাহ ০৬ নং সালিশ ফরিদের কাছ থেকে( ২০০০) দুই হাজার টাকা রোটারি খরচ নেওয়ার পর ও তিনি কোন রোটারি করে নাই।রোটারি লাগবেনা প্রকাশ করায় লিখিত স্ট্যাম্পের ফটোকপি চাইলে তাও অস্বীকার করেন এবং সালিশি বৈঠকে ও সর্ব সত্য লিখিত স্ট্যাম্প বা তার কোন ফটোকপি ও দিবে না বলে সাব জানিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম পক্ষের আরো সন্ধেহ জাগে বৈঠক শেষে একাধিকবার সিরাজ মিজির নামীয় উত্তরণকৃত স্ট্যাম বা ফটোকপি একাধিকবার আহবায়ক এবং দ্বিতীয় পক্ষ শহীদ মিজির কাছে চাইলে তারা বলেন মামলা উত্তোলন করার পর দেওয়া হইবে। এতে করে সন্দেহের অবকাশ আরো বৃদ্ধি পায় এক পর্যায়ে স্ট্যাম্প উদ্ধার চেয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট( মামলানং ১১৯০/২০২৫) বরাবর একখানা আবেদনের মাধ্যমে বিচার চাইলে বিজ্ঞ আদালত দুইটি আদেশ প্রদান করেন হাইমচর থানা অসিতদন্ত দেওয়াহ হইলে হাইমচর থানা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বিপি নং ৭৮৯৭০১৪৩৩৮এস আই নিরস্ত্র ফোর্স নিয়ে সরে জমিনে উপস্থিত হয়ে ১ নং আসামী শহীদুল্লাহ মিজি ৭০ পিতাঃ মৃত অলিউল্লাহ মিজি, সাং উত্তর আলগী। বাড়িতে গিয়ে স্টাম্প উদ্ধারের চেষ্টা করলে ১ নং আসামি বলেন তাহা ২ নং আসামি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম মনাসাহ (৫৫) এর কাছে রয়েছে ২ নং আসামী খোরশেদ আলম এর বসত ঘর থেকে তিনটি স্টাম্প উদ্ধার করেন পুলিশ। ০৩ টি স্টাম্পের মধ্যে শর্তলিখিত স্টাম্পটিতে ১ নং কলামের দ্বিতীয় লাইনে (উক্ত বিক্রি আমরা পক্ষগন বৈধতা দিলাম, লেখাটি বাদ দিয়েছে) এবং 3 নং ও ৪ নং কলামে আরো বাড়িয়ে লিখা হয় যাহা সবার সম্মতিতে ক্রমর লিখা হয়নি বলে দাবি করেন। বাদী মোহাম্মদ সিরাজমিজি পরিয়াদি লিখিত অভিযোগে ১ নং আসামী স্ট্যাম্পের সত্যকৃত স্ট্যাম্পটি যালজালিয়াতি করেছে বলেন। যাহা আপোষ নামাতে লিখিত সালিশ এবং১ নং সাক্ষী বাচ্চু শনির স্বাক্ষরিত উপস্থিত সকলের সামনেই লিপিবদ্ধ করা হয় উল্লেখ্য প্রকাশ থাকে যে ১ নং আসামী শহীদ মিজী (৭০)উত্তর আলী মৌজার ৯০৬নং দলিল জাল সৃজন করিয়া ৪৪ শতাংশ জমিন বোগ দখল করিয়া আসিতেছে যাহার মামলা চলমান রয়েছে এবং এলাকায় ৩০ বছর পূর্বে জমিন বিক্রি করে এখন তাদেরকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকায় অশান্তির সৃষ্টি অভ্যাহত রয়েছে। এলাকায় শান্তির লক্ষ্যে অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন ভুক্তভোগী এলাকার জনগণ ।