নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মতলব উত্তর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কার্যালয়ের উপসহকারী কৃত্রিম প্রজনন কর্মকর্তা মো. ওয়ালী উল্যা সরকার একই কার্যালয়ে ১৫বছর কর্মরত। নানাভাবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তিনি এই উপজেলায় নিজের রাজ্য গড়ে তুলেছেন। এই সময়ের মধ্যে নীরবে গড়ে তুলেছেন অর্থ সম্পদ। কিন্তু তার সাথে কথা বলার সময় প্রত্যেকটি বিষয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি হয়ে তিনি বড় ছেলেকে পড়িয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বেরসাকির বিশ্ববিদ্যালয়ের এই টিউশিন ফি যোগান দিয়েছেন কীভাবে। এই বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে এলোমেলো উত্তর দেন। একবার বলেন তার ছেলে মির্জা আব্বাস কলেজে পড়েছেন। আবার অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম বলেন। তার টিউশিন ফি মাসে লেগেছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। এমন মিথ্যা তথ্য দিতে শুরু করেন।
ওয়ালী উল্যা সরকার একই কার্যালয়ে ঘুরেফিরে কেন দীর্ঘ সময় পার করছেন এবং কী এমন মুধ এই কার্যালয়ে। জানাগেছে, মতলব উত্তর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মকর্তা, চিকিৎসক, উপসহকারী কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য) ও কৃত্রিম প্রজনন, অফিস সহকারী সহ মোট ১০ পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন। ফলে বাকি শূন্য ৬ পদের সকল কিছুই সামলান ওয়ালী উল্যা সরকার নিজেই। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি হয়েও তিনি নিজেই রোগী দেখেন এবং পেসক্রিপশন লিখেন। শুধু তাই নয়, এর বিনিময়ে রোগীদের কাছ থেকে নেন ফি। আর এভাবেই তার দুর্নীতি এবং অনিয়ম চলছে বছরের পর বছর। এ দৃশ্যই যেন নিয়মিত কর্মযজ্ঞ। তার মিথ্যা ও অজানা তথ্য নিয়ে থাকবে পরের প্রতিবেদন।