স্টাফ রিপোর্টার চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নের সুধীজন, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মৈশাদী ইউনিয়নের মেম্বার ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা শংকর আচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সালেহউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৈশাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারী।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, পবিত্র মাহে রমজান মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। এই মাস আমাদের সংযম, ধৈর্য ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়।
সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মাহাবুবুল রহমান স্বপন, হামানকর্দ্দি পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন, ইসলামিক টিভি চাঁদপুর প্রতিনিধি ও দৈনিক আদিবাংলা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক এমরান হোসেন রাজন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ খায়রুল বাসার, মৈশাদী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ মাহাবুব খান বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফয়সাল খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাস। এই মাসে ধনী-গরিব সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে মৈশাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
পরে উপস্থিত সকল অতিথি ও মুসল্লিদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইফতার সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।