নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে একটি যৌথ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। তবে এতসব উদ্যোগের পরও ঘাট এলাকায় সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে ঈদযাত্রায় ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা থাকলেও চাঁদপুর লঞ্চঘাটে তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। বেশ কয়েকজন যাত্রীদের কথা বলে জানা যায়, তারা অভিযোগ করেন যেখানে ভাড়া ১২০ টাকা, সেখানে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা; আবার ২০০ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।
বুধবার সকাল থেকে ঢাকা থেকে আসা লঞ্চযাত্রীরা ঘাটে নেমেই পড়ছেন ভোগান্তিতে। বিশেষ করে সিএনজি স্ট্যান্ডে সক্রিয় সিন্ডিকেটের কারণে স্বস্তির ঈদযাত্রা পরিণত হচ্ছে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতায়।
ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রতিটি লঞ্চে চারজন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালনসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ জানান, বুধবার সকাল থেকে বড় লঞ্চগুলোর চলাচল শুরু হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে প্রায় অর্ধশত ছোট-বড় লঞ্চ চলাচল করবে। অতিরিক্ত যাত্রীদের সুবিধার্থে আরও ছয়টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর নৌ থানার ওসি একেএম ইকবাল হোসেন জানান, নৌ-পথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন নিরাপদ রাখতে নৌ-পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।