যতদিন বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো, ব্রিটিশ আইন ও সমাজব্যবস্থায় ‘আমিত্ব’, পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং পরিচিত দুর্নীতিবাজদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হবে, ততদিন দেশে দুর্নীতি নির্মূল তো দূরের কথা, তা সহনীয় পর্যায়ে আনাও অসম্ভব বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।
লেখায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিগত রেজিমের মতো সুযোগসন্ধানী আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকদের প্রভাব এবং বন্দনায় দেশের মজলুম জনগণের হতাশা দিন দিন বাড়ছে।
আধুনিক চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং মার্কসবাদ-লেনিনবাদকে তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে নিয়ে অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও অধ্যয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাস্তবতা, অনুশীলন, বিচার-বিশ্লেষণ এবং ভুল-শুদ্ধ নিরূপণের মাধ্যমে তাঁর চিন্তাধারা গড়ে ওঠে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কসবাদ-লেনিনবাদের ভিত্তিতে সমাজ পরিবর্তনের রণনীতি ও রণকৌশল নির্ধারণ, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন এবং নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটনকে মাও সেতুংয়ের চিন্তাধারার মৌলিক দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
মাও সেতুং বলেছেন, মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা জনসচেতনতা ও সামাজিক অনুশীলন থেকে আসে। উৎপাদন সংগ্রাম, শ্রেণিসংগ্রাম এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে তিনি জ্ঞান ও চিন্তার উৎস হিসেবে দেখেছেন।
লেখায় বলা হয়েছে, উৎপাদন ব্যবস্থা কেবল উৎপাদনশক্তি, উৎপাদন সম্পর্ক, মালিকানা ও বণ্টনের ওপর নির্ভর করে না; জনসচেতনতা ও সামাজিক চেতনাও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভাববাদী, যান্ত্রিক ও প্রগতিবিরোধী চিন্তা সামাজিক উৎপাদন সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাও সেতুং চীনের বাস্তবতার আলোকে কৃষকসমাজকে বিপ্লবের প্রধান শক্তি হিসেবে সংগঠিত করেন এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ঘাঁটি গড়ে দীর্ঘমেয়াদি গেরিলা যুদ্ধের কৌশল গ্রহণ করেন। ‘নয়া গণতন্ত্র’-এর ধারণার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার কথাও লেখায় তুলে ধরা হয়েছে।
মাও সেতুংকে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাতা, চীনা বিপ্লবী, মার্কসবাদী তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৮২ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন স্কয়ারে তাঁর সমাধিকে কেন্দ্র করে ‘মাও সেতুং স্মৃতিসৌধ’ গড়ে ওঠে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরিফ রাসেল, প্রধান সম্পাদক: এমরান হোসেন রাজন, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, বার্তা সম্পাদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন।
অফিস: কুমিল্লা রোড় চক্ষু হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাটওয়ারী ভবন (৩য়) তলা চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। মোবাইল: ০১৯১৪-৬১৩৫৪৪, ০২৩৩৭৭-৪২৮৭৫, ইমেল: banglaaadi@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত