প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গত আগস্ট মাসে বিড়ালের কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ৭৬৩ জন। আক্রান্তদের প্রায় ৭০ শতাংশই শিশু। একই সময়ে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৩৪ জন।
বিড়াল পরিচ্ছন্ন ও আদুরে প্রাণী হলেও এর কামড় বা আঁচড় থেকে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পোষা প্রাণীও র্যাবিস বা জলাতঙ্কের মতো প্রাণঘাতী ভাইরাসের বাহক হতে পারে। অনেক পরিবার বিড়ালের কামড় বা আঁচড়কে শুরুতে তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় পরবর্তী সময়ে জখম গুরুতর হলে হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বিড়াল ও অন্যান্য প্রাণীর কামড়-আঁচড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রতি মাসে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার ভ্যাকসিন ও ওষুধ সরবরাহ করতে হচ্ছে। এতে রোগীদের শারীরিক ও মানসিক কষ্টের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
প্রাণী পোষার বিরোধিতা না থাকলেও পরিবারের শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিড়াল দেখতে সুস্থ মনে হলেও সেটিকে নিয়মিত র্যাবিসসহ প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়া এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
কোনো প্রাণী কামড় বা আঁচড় দিলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টির্যাবিস টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে সামান্য আঁচড় বা কামড়কেও গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
বিড়াল পোষার আনন্দ বজায় রেখেই স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে বিড়ালপ্রেমীদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরিফ রাসেল, প্রধান সম্পাদক: এমরান হোসেন রাজন, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, বার্তা সম্পাদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন।
অফিস: কুমিল্লা রোড় চক্ষু হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাটওয়ারী ভবন (৩য়) তলা চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। মোবাইল: ০১৯১৪-৬১৩৫৪৪, ০২৩৩৭৭-৪২৮৭৫, ইমেল: banglaaadi@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত