চাঁদপুর বড় স্টেশনে স্মরণাতীতকালের ভয়াবহ ভাঙনের আজ ২৫ বছরপূর্তি। ২০০১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সূর্যোদয়ের প্রাক্কালে শুরু হওয়া ওই ভাঙন-বিপর্যয় টানা ২২ ঘণ্টা চলে। এতে রেলওয়ে স্টেশন, বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ টার্মিনাল ভবনের পশ্চিমাংশ, গ্যাংওয়ে, রেলওয়ের ওভারব্রিজ, রেলপথ, স্টিমারঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
ভাঙনে স্টিমারঘাটের সামনের ১২টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও স্টেশনারি দোকান, ট্রান্সফরমারসহ পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি, একটি বরফকল, ১০০টি মাছের আড়ত, হাজার হাজার কংক্রিটের ব্লক এবং ছয়টি বড় গাছও নদীতে চলে যায়। এর ফলে বর্তমান মোলহেডের পূর্বাংশে, নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া স্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে বিশাল পুকুরের মতো জায়গা তৈরি হয়।
পরদিন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুজন উপদেষ্টা, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের জিওসি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও রেলওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ অনেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে ড্রেজিং করে বালু ফেলে ওই স্থান ভরাট করা হয়। শহর রক্ষা বাঁধের বেষ্টনী দিয়ে বড় স্টেশনের বিলীন হয়ে যাওয়া মূল স্থাপনাস্থলসহ পশ্চিমাংশকে মোলহেডে পরিণত করা হয়।
কালক্রমে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার অর্থায়নে বর্তমান মোলহেডে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘রক্তধারা’, ইলিশ ভাস্কর্যসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হয়েছে। স্থানটি এখন আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালে মোলহেডের এই স্থানটি বধ্যভূমি ছিল বলে এখানে ‘রক্তধারা’ নির্মাণ করা হয়। এ কারণে স্থানটি আবেগজড়িত ও স্মৃতিকাতর পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরিফ রাসেল, প্রধান সম্পাদক: এমরান হোসেন রাজন, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, বার্তা সম্পাদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন।
অফিস: কুমিল্লা রোড় চক্ষু হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাটওয়ারী ভবন (৩য়) তলা চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। মোবাইল: ০১৯১৪-৬১৩৫৪৪, ০২৩৩৭৭-৪২৮৭৫, ইমেল: banglaaadi@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত