স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো সার সংকট নেই; তবে কৃষকের কাছে সময়মতো ও সহজে সার পৌঁছাতে সরবরাহ ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ খোকন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বিশেষ করে ডিলার পর্যায়ে সারের সরবরাহ, পরিবহন, গুদামজাতকরণ এবং মাঠপর্যায়ে সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করা গেলে কৃষকদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
এনায়েত উল্লাহ খোকনের মতে, কৃষি মৌসুমে ধান, সবজি, ভুট্টা ও আলুর মতো বিভিন্ন ফসলের স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ জরুরি। তাই বাজারে পর্যাপ্ত সার থাকার পাশাপাশি তা কৃষকের হাতের নাগালে পৌঁছানোও গুরুত্বপূর্ণ।
মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে নির্দিষ্ট কোনো সারের সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে দূরদূরান্ত থেকে সার সংগ্রহ করতে হয়। কোথাও কোথাও বাড়তি পরিবহন খরচ ও বাজারদরের তারতম্যের কারণে কৃষকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়। এ কারণে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও কৃষকবান্ধব করার দাবি জোরালো হচ্ছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সার আমদানি ও সামগ্রিক সরবরাহের পাশাপাশি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া জরুরি। কোন এলাকায় কী পরিমাণ সারের চাহিদা রয়েছে, সেই তথ্যের ভিত্তিতে সরবরাহ পরিকল্পনা করা গেলে স্থানীয় ঘাটতির আশঙ্কা কমবে এবং অপ্রয়োজনীয় মজুতও এড়ানো সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল সংকট না থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে কৃষকের মনে কৃত্রিম সংকটের অনুভূতি তৈরি হতে পারে। তাই সার উৎপাদন ও আমদানি থেকে শুরু করে পরিবহন, গুদামজাতকরণ, ডিলার ও খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সমন্বিত করা প্রয়োজন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরিফ রাসেল, প্রধান সম্পাদক: এমরান হোসেন রাজন, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, বার্তা সম্পাদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন।
অফিস: কুমিল্লা রোড় চক্ষু হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাটওয়ারী ভবন (৩য়) তলা চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। মোবাইল: ০১৯১৪-৬১৩৫৪৪, ০২৩৩৭৭-৪২৮৭৫, ইমেল: banglaaadi@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত