নিজস্ব প্রতিনিধি: এখন অক্টোবর মাস। কিছুদিন পর বড় পূর্ণিমায় ঝাঁকে ঝাঁকে মা ইলিশ ডিম ছাড়তে মেঘনায় আসবে। তাই এ সময়ে ইলিশ ধরা নিষেধ। শিশুদের মধ্যে মা ইলিশ ও জাটকার জন্য মায়া ও ভালোবাসা তৈরির লক্ষ্যেই মা ইলিশ ও শিশুদের নিবেদন করে রচিত হয়েছে ‘ইলিশ-বচন’。
‘ইলিশ-বচন’-এ ইলিশকে বাঙালির গর্ব, মান ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটিতে ইলিশের সৌরভ, গৌরব, রূপ এবং বাঙালির খাবার ও সংস্কৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নানা ছন্দে প্রকাশ পেয়েছে।
রচনাটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম, বুদ্ধদেব বসু ও রামকৃষ্ণের প্রসঙ্গ এনে ইলিশকে ঘিরে সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক স্মৃতির উল্লেখ করা হয়েছে। ইলিশের মাথা দিয়ে কচুশাক রান্না, এর ঘ্রাণ এবং পদ্মার ইলিশের স্বাদের কথাও এতে এসেছে。
কবিতার একটি অংশে ইলিশের বিয়ের কল্পচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বর-কনে, বিয়ের আয়োজন, প্রীতিভোজ এবং ইলিশ না পাওয়ার সংকটকে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্য অংশে ইলিশের সৌন্দর্য, দেহের গঠন ও রূপের প্রশংসা করা হয়েছে。
শেষাংশে মেঘনা ও পদ্মার ইলিশকে বাঙালির গর্ব হিসেবে উল্লেখ করে ইলিশ সংরক্ষণ ও এর প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে。
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরিফ রাসেল, প্রধান সম্পাদক: এমরান হোসেন রাজন, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, বার্তা সম্পাদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন।
অফিস: কুমিল্লা রোড় চক্ষু হাসপাতালের বিপরীত পাশে পাটওয়ারী ভবন (৩য়) তলা চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। মোবাইল: ০১৯১৪-৬১৩৫৪৪, ০২৩৩৭৭-৪২৮৭৫, ইমেল: banglaaadi@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত