
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : হাইমচর উপজেলার ৪নং নীলকমল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের নিয়মিত কোরআন তালিম চলাকালে স্থানীয় যুবদল নেতা ফিরোজের নেতৃত্বে একদল যুবদল বাধা দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাইমচর উপজেলার আমির মাওলানা আবুল হোসাইন এবং সেক্রেটারি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বাহার গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর হাইমচর উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উস্কানীমূলক বক্তব্যের জের ধরে যুবদল নেতা ফিরোজ বাধা প্রদান করে।
৯ ই নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঐ বাড়িতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে নিয়মিত সাপ্তাহিক ও মাসিক কোরআন তালিম ও প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়ে আসছে। ওই দিন তালিম চলাকালে নীলকমল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফিরোজের নেতৃত্বে একদল যুবক বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে। পর্দানশীল মা-বোনেরা তাদের বাধা দিলে, তারা অশালীন ভাষায় গালাগালি শুরু করে। একপর্যায়ে মহিলাদের প্রতিবাদের মুখে তারা স্থান ত্যাগ করে।এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল হোসাইন এবং সেক্রেটারি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বাহার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বিএনপি নেতাদের এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্যে বিএনপির সাধারন নেতাকর্মীরা হাইমচরের শান্ত পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে।জুলাই বিপ্লব ২৪-পরবর্তী স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে এই নব্য ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। পর্দানশীল মা-বোনদের কোরআন তালিমে বাধা দেয়া এক ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় কাজ।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন—
“যুবদলের এই কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নারী সমাজের ধর্মীয় শিক্ষা ও কোরআনের আলোচনায় হামলা করে কেউ ইসলামী দাওয়াতি কার্যক্রমকে বন্ধ করতে পারবে না। এই হামলা প্রমাণ করে, নৈতিক ও আদর্শিকভাবে পরাজিত একটি গোষ্ঠী সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চাইছে নেতৃবৃন্দ বাধাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।