
কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পাথৈর উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি নতুন একাডেমিক ভবনের অভাবে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শিক্ষাতকার্যক্রম। বাহির থেকে বিদ্যালয়টির দৃশ্য দেখলে বোঝার উপায় নেই বাহিরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য দেখে মন কারবে যে কারোর, অথচ একটি ভবনের অভাবে পুরাতন টিনসেট ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।টিন সেট ভবনে প্রচন্ড গরমে পর্যাপ্ত ফ্যানের অভাবে পাঠদানে শ্রেণি কক্ষে অস্ততিতে ভোগেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। একটু বৃষ্টি হলে, কক্ষের ভিতরে বৃষ্টির পানি পড়ে ক্লাস নেয়ার পরিবেশ থাকেনা। এভাবেই দীর্ঘ বছর ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে চলছে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাথৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। এতো সমস্যায় জর্জরিত হয়েও সুনাম ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটি। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪ শ ৭০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের শিক্ষক রয়েছেন ১৬ জন শিক্ষক।
শিক্ষার্থী মীম আক্তার, সাদিয়া আক্তার ও হাফসা আক্তারসহ আরো অনেকে জানান, ক্লাস করতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। শ্রেণিকক্ষের অভাবে আমাদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। আপনারা আমাদের সহযোগীতা করুন। আমাদের বিদ্যালয়ে একটি একাডেমিক ভবন নাই। তাই শিক্ষার্থীদের দাবি আধুনিক শিক্ষা হতে আমরা যেন পিছিয়ে না যাই।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মো. মকবুল হোসেন মিয়াজী বলেন, পাথৈর উচ্চ বিদ্যালয়় একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। ফলে এ বিদ্যালয়ে একটি নতুন ভবন নেই। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের মান উপযোগী করে গড়ে তুলতে দ্রুত বিদ্যালয়ের জরুরী ভিত্তিতে নতুন একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট্যদের প্রতি জোর দাবি জানাই ।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০২২ সালে বিদ্যালয়টি এমপিও ভূক্ত করন হলেও ভবন না নাকায় বলার ভাষা নেই। ফলে বাধ্য হয় পুরাতন টিনশেড ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে হচ্ছে। এতে যে কোন সময় প্রাণহানিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনাঘটার আশঙ্কার রয়েছে।
কচুয়া উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার কে.এম সোহেল রানা মুঠোফোনে জানান, ‘বিষয়টি আমি ইতিমধ্যে অবগত হয়েছি। ওই বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণসহ সমস্যা নিরসনে শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রেরন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’