1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বাবুরহাটে মেগা ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট খোলা বাথরুমের পাশে তৈরি হচ্ছে ব্রেড-কেক-বিস্কুট, মতলবের কোয়ালিটি বেকারি নিয়ে উদ্বেগ মতলবে প্রথমবারের মতো সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫-এ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক

চাঁদপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও জিরা উদ্ধার, আটক ১

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি: চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও জিরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় হাবিব বেপারী (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের তিন তালগাছতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক হাবিব বেপারী ওই এলাকার হাশেম বেপারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় বিপুল পরিমাণ জিরা ও ভারতীয় কাপড় মজুতের খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই গাজী কালামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৪৫ বস্তা জিরা এবং একটি ভবন থেকে ২৪ বস্তা ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা পণ্যের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় হাবিব বেপারীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার করা পণ্যের সঠিক মূল্য এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য এনে ওই এলাকায় মজুত করে আসছিল। পরে সুযোগ বুঝে এসব পণ্য ঢাকার বিভিন্ন বাজারে নেওয়া হতো। রাতের আঁধারে ভারতীয় কাপড় ও জিরা এনে মজুত করা হতো বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ বলেন, বেশ কয়েক বস্তা কাপড় ও জিরা উদ্ধার করা হয়েছে। মালামালের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারলে তা ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উদ্ধার করা পণ্যের আনুমানিক মূল্য স্থানীয়দের কেউ কেউ প্রায় অর্ধকোটি টাকা বা তারও বেশি বলে দাবি করলেও পুলিশ জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে এর প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট