1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

স্মরণকালের সবচেয়ে নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসব হলো এবার, এমনটি হোক বারবার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে
স্মরণকালের সবচেয়ে নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসব হলো এবার, এমনটি হোক বারবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনারও এক অনন্য প্রকাশ। শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রতিবছরই মানুষের মধ্যে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও মিলনের আবহ তৈরি হয়। তবে উৎসবের প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন তা নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও সর্বজনীন অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপিত হয়। এবারের দুর্গোৎসব সত্যিই স্মরণকালের অন্যতম নির্বিঘ্ন উৎসব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা আশাব্যঞ্জক এবং প্রশংসার দাবিদার।

শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর দুর্গোৎসব আয়োজনের পেছনে এমপিসহ জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক, শাসক দলসহ রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকে। মণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হলে উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এবারের আয়োজন এসব ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট সবার অবদান স্বীকৃত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার’—এই চেতনা স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায় যেন ভয়, শঙ্কা বা বৈষম্যের মধ্যে উৎসব পালন করতে বাধ্য না হয়, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘু পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজের পরিচয়।

এবারের নির্বিঘ্ন উৎসবের সাফল্যকে শুধু তাৎক্ষণিক অর্জন হিসেবে দেখলে চলবে না। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের উৎসবগুলোকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও অংশগ্রহণমূলক করতে হবে। নিরাপত্তাব্যবস্থার ধারাবাহিক উন্নয়ন, স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয়, গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা প্রতিরোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চর্চা জোরদার করা জরুরি। উৎসব আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সবার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ মূল্যায়নের মাধ্যমে দুর্বলতাগুলোও চিহ্নিত করতে হবে।

এবারের দুর্গোৎসবের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক—এটাই প্রত্যাশা। মানুষ যেন প্রতি বছর নির্ভয়ে মণ্ডপে যেতে, আনন্দ ভাগাভাগি করতে এবং উৎসব শেষে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে। কোনো ধর্মীয় উৎসব যেন নিরাপত্তার উদ্বেগে ম্লান না হয় এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন সম্প্রীতির বন্ধন ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

স্মরণকালের সবচেয়ে নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসবের অভিজ্ঞতা যদি মানুষের মধ্যে নতুন আস্থা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের প্রত্যয় জাগায়, তবে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন। উৎসবের শান্তি ও সৌহার্দ্য সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ুক। এবারের দুর্গোৎসবের সাফল্য আগামী দিনের পথনির্দেশক হোক। এমন নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও সম্প্রীতিময় দুর্গোৎসবই হোক বারবার।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট