1. info@www.aadibangla.com : দৈনিক আদি বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মকর্তার বাড়ি না থাকলেও কর্মচারীর আলিশান বাড়ি শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আলোচনা সভা শাহরাস্তিতে ২০ পিচ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার শাহরাস্তিতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৪ শিক্ষকের জরিমানা -চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি- হাজীগঞ্জ) আসনে শিক্ষকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াতের প্রার্থী  ফরিদগঞ্জে ৪০ দিনের কন্যাসন্তান রেখে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মতলব উত্তরে নাউরী ২নং ওয়ার্ডে মিলাদ ও দোয়া মতলব উত্তরে মরহুম আফজাল মাস্টার স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট উদ্বোধন কাল বুধবার শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের নির্বাচন উৎসব চাঁদপুরে চর কেটে দখলের চেষ্টা: তিনজন আটক, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

হাজীগঞ্জে কাবিখা প্রকল্পে বড় দুর্নীতি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর বাকিলা ইউনিয়নে কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ মজুমদার বাড়ির রাস্তা নামে দেখিয়ে একটি রাস্তা দেখিয়ে প্রকল্প দেখানো হয়েছে। বরাদ্দ ছিল সাড়ে ৯ টন চাল, যার সরকারি মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। কিন্তু সরেজমিন তদন্তে দেখা গেছে মাঠে এর কাজ হয়েছে মাত্র ৯–১০ হাজার টাকার মতো।

অর্থাৎ মোট বরাদ্দের প্রায় ৯৮ শতাংশ অর্থ কোথায় গেছে তা নিয়ে সমগ্র এলাকায় চলছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।

২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাকিলা রেললাইন থেকে মজুমদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার শীর্ষক এই প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৯ টন ৬১৮ কেজি চাল। কিন্তু প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান এলাকার মানুষই জানেন না এমন কোনো মজুমদার বাড়ির রাস্তা আছে।

গ্রামের প্রবীণ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন এলাকায় কোনোদিন মজুমদার বাড়ির রাস্তা ছিল না। নামটাই নতুন।

রেললাইনের পাশে কালো মিয়ার পরিবার বংশপরিচয়ে মজুমদার হলেও তারা জানান আমাদের বাড়ির রাস্তায় কখনো সরকারের প্রকল্প হয়নি। আমরা নিজেরাই যতটুকু পারি করি।

স্থানীয় বাসিন্দা খুকি বেগম বলেন রাস্তা আমাদেরই বানানো। সরকারি কোনো টাকা এখানে লাগে নাই।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান দাবি করে বলেন বিসমিল্লাহ কফি হাউসের পাশে মজুমদার বাড়িতে কাজ হয়েছে।

কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায় ওই এলাকায় বা আশেপাশে মজুমদার বাড়ি নামে কোনো বাড়ি নেই। বাড়ির নামটি কেবল কাগজে আছে মাঠে নেই।

অভিযোগ ওঠা স্থানের পাশে বসবাস করেন রেদওয়ান মিজি ও জসিম মিজি। তারা জানান গত বছর তাদের বাড়ির ছোট একটি রাস্তায় অল্প কিছু মাটি ফেলা হয়েছিল।

রেদওয়ান মিজি বলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বার খুব অল্প কিছু মাটি ফালাইছে। প্রথম দিন ১১ জন ৫ ঘণ্টা, পরদিন ৫ জন, আরেকদিন ২ জন সব মিলায়ে ৯৫ ঘণ্টা কাজ। টাকার হিসাবে সাড়ে ৯ হাজারের মতো।
তাদের হিসাব অনুযায়ী, যে ছোট রাস্তাটি প্রায় ৭০–৮০ ফুট তা প্রকল্পের বিপুল বরাদ্দের তুলনায় নগণ্য।

স্থানীয়রা বলেন মজুমদার বাড়ির নামে বরাদ্দ, কাজ হয়েছে মিজি বাড়িতে সেটাও সামান্য!
প্রকল্পের সাইনবোর্ডও নেই
একটি সরকারি প্রকল্পে সাইনবোর্ড থাকা বাধ্যতামূলক হলেও এখানে কোনো সাইনবোর্ড টানানো হয়নি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন সিনবোর্ড লাগলে সবকিছু প্রকাশ হয়ে যায় তাই কি ইচ্ছা করে লাগানো হয়নি?

প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য নার্গিস বেগম বলেন, আমি প্রকল্প কোথায় হয়েছে জানি না। আমাকে কোনো টাকা দেওয়া হয়নি। শুধু পিআইও অফিসে গিয়ে সাইন করেছি।

একজন প্রকল্প সভাপতির এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে বলেন প্রকল্প সভাপতি জানেন না কাজ কোথায় এটাই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন মাটি কাটা হয়েছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে সেই কাজের কোনো উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশেকুর রহমান বলেন, ফাইল দেখে বিষয়টি যাচাই করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। আমার
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট