
নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত গুরুতর অনিয়ম ও কাবিন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর ওই ইউনিয়নের কাজী মোঃ সাইফুল ইসলামের দিকে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের বাসিন্দা (ছদ্মনাম) শরীফ হোসেন, পিতা বাবুল, ২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন এবং দীর্ঘদিন দেশে আসেননি। গত ০২ নভেম্বর ২০২৫ বরের উপস্থিতি দেখিয়ে হাইমচর উপজেলার ৩ নং আলগী দক্ষিন ইউনিয়নের টেক কান্দি গ্রামের পাখী আক্তার (পিতা: নজির বেপারি)-এর সঙ্গে বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়। বর/কনের আইনসম্মত ওয়াকিল (চড়বিৎ ড়ভ অঃঃড়ৎহু) থাকলে বিয়ে সম্পন্ন করা যায়। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী বর বিদেশে অবস্থানরত ছিলেন কোনো নিবন্ধিত ও সত্যায়িত ওয়াকালতনামা থাকার তথ্য পাওয়া যায়নি তবুও সরাসরি উপস্থিত দেখিয়ে কাবিন সম্পন্ন করা হয়েছে যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি জাল কাবিননামা প্রস্তুত, ক্ষমতার অপব্যবহার,এবং অধিক টাকা বিনিময় নকল ও জাল জালিয়াতি মাধ্যমে কাবিন করেন থাকেন। শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে কাজী মোঃ সাইফুল ইসলাম ইতিপূর্বে এ ধরেনের অপকর্মের জন্য একাধিক বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট মোচলেকা দিয়ে আসেন। তারপরও কাজী তার অপকর্ম চালিয়ে যান। এ ধরনের কাজের জন্য বহু পরিবার কোর্ট ও আদালতের বারেন্দায় ঘুরছে। অধিক হারে কাবিনের টাকা লিখিয়ে বর পক্ষ থেকে কনে পক্ষকে পায়ে দেওয়া আশায় এ ভ’য়া কাবিন করেন। যার দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪২০ (প্রতারণা), ৪৬৬/৪৬৮ (জাল দলিল প্রস্তুত) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে কাজী মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন,বর (ছদ্মনাম) শরীফ হোসেন আমার কাছে উপস্থিত ছিলেন এবং তার মাধ্যমেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। চাঁদপুর জেলা কাজী সমিতির সভাপতি কাজী ফজলুল কবীর বলেন, কাবিননামায় যে আইনি ধারা দেখানো হয়েছে, তাতে বরকে উপস্থিত থাকতে হয়। বর যদি দেশের বাইরে থাকেন এবং বৈধ ওয়াকালতনামা না থাকে, তাহলে ওই কাবিন আইনসম্মত নয়। প্রশাসনের ভূমিকা এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।