স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মৈশাদী হামানকর্দ্দি ঈদগাহ সংলগ্ন লেকেরপাড় সড়ক সংস্কারের নামে প্রকাশ্যে সরকারি অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সড়কের বেহাল অবস্থা মেরামতের জন্য কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অপরদিকে কাজের সিডিউলে স্পষ্টভাবে গাইড ওয়াল নির্মাণ করে ইটের সলিং করার কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, গাইড ওয়ালের পরিবর্তে নিম্নমানের বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে এবং ইটের সলিংয়ের বদলে নামমাত্র ইটের গুঁড়া (রাবিশ) ফেলে দায়সারা ভাবে কাজ শেষ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি ও ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ খোকন বেপারী দায়িত্ব এড়িয়ে বলেন, ৭০ হাজার টাকার কাজ যতটা পেরেছি করেছি। তার এই বক্তব্যে পুরো প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহারের বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মৈশাদী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শংকর আচার্য বলেন, কাজ কত টাকার এবং কীভাবে হবে তা আমি জানি না, পিআইও সাহেব জানেন। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এমন বক্তব্য প্রশাসনিক অবহেলারই প্রমাণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এলাকাবাসীর দাবি, এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যথায় ভবিষ্যতে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে এমন পুকুর চুরি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আফতাব জানান, আমি প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছি। কাজ যেভাবে করার কথা ছিল বাস্তবে তা পাইনি। গাইড ওয়াল করে ইটের সলিং করার নির্দেশ দিয়ে এসেছি।