1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

আখের রস বিক্রি করে সংসার চালান আমির

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে
আখের রস বিক্রি করে সংসার চালান আমির

১৫ বছর ধরে আখের রস বিক্রি করে আমিরের জীবনসংগ্রাম, বাবুরহাটে মেটাচ্ছেন তৃষ্ণা। চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাটে ব্যস্ত সড়কের পাশে ছোট দোকানে আখের রস বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন আমির হোসেন (৩০)।

দোকানের সামনে সাজানো থাকে তাজা আখ বা গেণ্ডারি। পাশে থাকা যন্ত্রে আখ মাড়াই করে গ্লাসে পরিবেশন করা হয় রস। এই ব্যবসাকে জীবিকার প্রধান অবলম্বন হিসেবে বেছে নেওয়ার আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা কাজ ও ছোটখাটো ব্যবসা করেছেন আমির।

১৫ বছর আগে আখের রস বিক্রি শুরু করেন তিনি। গত পাঁচ বছর ধরে বাবুরহাটে স্থায়ীভাবে ব্যবসা করছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সেখানেই সংসার গড়ে তুলেছেন।

আমির হোসেন জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্লাস আখের রস বিক্রি হয়। প্রতি গ্লাস ২০ টাকা দরে দিনে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা বিক্রি থাকে। ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী বরফ মিশিয়ে অথবা বরফ ছাড়া রস পরিবেশন করেন তিনি।

আখ ও রস তৈরির যন্ত্র পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশনের সময় পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেন আমির। তিনি বলেন, মানুষ বিশ্বাসের জায়গা থেকে তাঁর কাছে রস খেতে আসেন; সেই বিশ্বাস ধরে রাখাই তাঁর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতার দাবি, গরমের দিনে ঠান্ডা আখের রস তাঁদের ক্লান্তি দূর করে। আমির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে রস তৈরি করেন বলেই তাঁরা নিয়মিত তাঁর দোকানে আসেন।

সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আখের রসের চাহিদা থাকে। মার্চ থেকে জুনের গরমে বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। বর্ষায় বিক্রি কিছুটা আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। শীতকালে ঠান্ডা পানীয়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ও ভাটা পড়ে।

একটি মেশিন, কিছু আখ ও পরিশ্রমকে সম্বল করে বাবুরহাটে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন আমির। তাঁর আশা, একদিন এই ছোট ব্যবসা আরও বড় হবে এবং উপার্জনের মাধ্যমে সন্তানদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট