1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইলিশ শিকার ও বেচাকেনার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে
মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইলিশ শিকার ও বেচাকেনার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: মা ইলিশ রক্ষায় প্রতিবছর সরকার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত ও জাতীয় সম্পদ রক্ষাই এর উদ্দেশ্য। কিন্তু মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মা ইলিশ শিকার ও প্রকাশ্যে বেচাকেনার যে চিত্র উঠে এসেছে, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তৎপরতা ও কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে অভিযান, জাল ও নৌকা জব্দ, মামলা এবং জেল-জরিমানার কথা জানানো হলেও মোহনপুরের কুমারখোলা, নয়াকান্দি বটতলা ও একলাশপুর লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ইলিশের হাট ও আড়ত বসার অভিযোগ রয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলেও অবৈধভাবে ইলিশ শিকার ও বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছে। এতে অভিযান ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় জেলেদের একাংশের অভিযোগ, নৌপুলিশের সঙ্গে কথিত সমঝোতা বা রফাদফার মাধ্যমে কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকার করছেন। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা সমীচীন নয়। অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান পরিচালনায় নৌযানের সংকটসহ বাস্তব সমস্যা রয়েছে কি না, নাকি কোথাও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য বা অনৈতিক আপসের সুযোগ তৈরি হয়েছে—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কার্যকর অভিযান নিশ্চিত করতে হবে।

মা ইলিশ রক্ষার কার্যক্রম শুধু নদীতে জাল জব্দ বা জেলেদের আটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অবৈধ মাছের উৎস, পরিবহন, আড়ত ও বিক্রয়কেন্দ্র চিহ্নিত করে সমন্বিত অভিযান চালানোর প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দ্রুতগতির নৌযান নিশ্চিত করা জরুরি।

প্রশাসনের অভিযান ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান থাকলে জনমনে ‘বেড়ায় ক্ষেত খায়’—এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃশ্যমান কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই এর জবাব দিতে হবে। নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হওয়ার আগেই মতলব উত্তরের মেঘনা নদী ও চরাঞ্চলে অবৈধ ইলিশ শিকার এবং বেচাকেনা বন্ধে পদক্ষেপ না নিলে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট