
নিজস্ব প্রতিনিধি: উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত দুটি ইউনিয়নের একটি ১১নং চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তাঘাট কাঁচা। নদী দখলের কারণে অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো খুবই দুর্বল। এক কথায় চরদুঃখিয়াবাসীর দুঃখের শেষ নেই। সন্তোষপুর দরবার শরীফ এই ইউনিয়নে অবস্থিত।
চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের আয়তন ১৬.৩৫ বর্গকিলোমিটার। ইউনিয়নটির পশ্চিমে চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন, উত্তরে ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন, পূর্বে রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়ন ও লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা এবং দক্ষিণে রায়পুর উপজেলা। এখানে গুদারাঘাট বাজার, ইসলামগঞ্জ বাজার, বেড়ীর বাজার ও বেপারী বাজার—এই চারটি বাজার রয়েছে।
হায়দার আলী বেপারী বাড়ি ও বেপারী বাজারের সামনের ডাকাতিয়া নদীর দৃশ্য, জমাদার বাড়ি স্টিল ব্রিজ ও ঝিল ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। উপজেলা এলজিইডি অফিসের অসহযোগিতার কারণে ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের সঠিক তথ্য উল্লেখ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৫ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ৫২১ জন এবং নারী ১২ হাজার ২৭৪ জন। ভোটকেন্দ্র ৯টি এবং ভোটকক্ষ ৪৯টি।
ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মিরাজ। তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান। অনুকূল পরিবেশ পেলে তিনি নির্বাচন করবেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তাঁর আগে চেয়ারম্যান ছিলেন বিএনপির মো. বাছির আহমেদ। তিনি দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং এবারও প্রার্থী হবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন টেলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিক ইকবাল তানভীর, মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী লিটন, আব্দুল হান্নান পাটোয়ারী, মুসলিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়া (খোকন) প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে। বিএনপির পদে না থাকলেও দলটির রাজনীতি করেন—এমন প্রার্থীদের মধ্যে সুমন হাওলাদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জামায়াত সমর্থিত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবক রসুল আহমেদের নামও রয়েছে।