1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

বছরেও শেষ হয়নি শাহরাস্তির বিষারা-নবাবপুর সেতু

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে
জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই শুরু, অ্যাপ্রোচ সড়কে এলাকাবাসীর বাধা

স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন বিষারা-নবাবপুর সেতুর কাজ ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি। মূল সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণ না করায় আটকে আছে অ্যাপ্রোচ (সংযোগ) সড়কের নির্মাণকাজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমি অধিগ্রহণ না করেই মূল সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছিল। সম্প্রতি অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণের দাবিতে স্থানীয় জমির মালিকরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ জুলাই ৮১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সুরমা এন্টারপ্রাইজ’। একই বছরের ১৮ নভেম্বর সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮ কোটি টাকা। কাজ শুরুর পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নানা অজুহাতে নির্মাণকাজের গতি কমিয়ে দেয় বলে জানা গেছে।

বর্তমানে সেতুর মূল কাঠামোর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বরাদ্দে অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য দ্বিতীয় দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজ পায় ‘সুন্দরবন এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটি নদীর পশ্চিম অংশে কাজ শুরু করতে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের বাধার মুখে পড়ে। পরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

বিষারা পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি আলী আজম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই জমি অধিগ্রহণ ছাড়া মূল সেতুর দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। ক্ষতিপূরণের দাবিতে ১৩টি খতিয়ানের বিবরণসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া বেগম বলেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দুই শতক জমিতে ঘর তুলে সন্তানদের নিয়ে তিনি বসবাস করছেন। ক্ষতিপূরণ ছাড়া জমি হারালে তাঁদের পথে বসতে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

শাহরাস্তি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মইনুল ইসলাম জানান, অ্যাপ্রোচ সড়কের দরপত্র সম্পন্ন হলেও জমি-সংক্রান্ত জটিলতায় কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়টি প্রকল্প পরিচালককে জানানো হয়েছে। তাঁর মতে, জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করেই দরপত্র আহ্বান করা উচিত ছিল।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দের ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট