1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

চলেন হাঁটি সাহিত্যের পথে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে
চলেন হাঁটি সাহিত্যের পথে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘সুস্থ দেহ, সুস্থ মন। হাঁটিতে হাঁটিতে দেখিব সাহিত্যের গগন’—চৌদ্দ আগস্ট, দুই হাজার ছাব্বিশের ভোরে চাঁদপুর সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে ঝিরঝির বাতাসে মন ও শরীর শীতল হয়ে আসে। বিজ্ঞান সূত্রে সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৩৩ মিনিট হলেও তখনও পূর্ব দিগন্তে সোনালি রোদ পুরোপুরি ফোটেনি।

স্নিগ্ধ ভোরের নীরবতায় নদীর ওপর পাখিদের দলবেঁধে উড়ে চলা, সাদা-নীল মেঘে আঁকা আকাশ এবং ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফোঁটা মিলে তৈরি করে অপরূপ পরিবেশ। সেই আবহে প্রাতর্ভ্রমণে সমবেত হয়ে কদমে কদমে চলতে থাকে ‘চলেন হাঁটি সাহিত্যের পথে’ আয়োজন।

হাঁটার পাশাপাশি চলতে থাকে গল্প, কবিতা, চলমান ঘটনাবলি ও অতীতের নানা কথা। হাসি-ঠাট্টার মধ্য দিয়ে ভোরের প্রকৃতি উপভোগ করেন অংশগ্রহণকারীরা। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হাঁটার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। সুস্থ দেহ ও মনের সঙ্গে লেখকের সৃজনশীলতার সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়।

শহরের যানবাহনের শব্দ এড়িয়ে তাঁরা নীরব পথ, দীঘির পাড়, সরু খাল ও জনবসতির মধ্য দিয়ে হাঁটেন। পথে দেখা যায় রাতে পাতা জালে আটকে থাকা মাছ, খোলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়া মানুষ, ডাকাতিয়া নদীতে তেলাপিয়া মাছ চাষের খাঁচা এবং সারি করে বাঁধা নৌকা। পুরুষের পাশাপাশি অল্পসংখ্যক নারীও প্রাতর্ভ্রমণে অংশ নেন।

প্রকৃতির দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণের পাশাপাশি নদীর পাশে গাছের নিচে হালকা জলখাবার ও খোশগল্পের জন্য বিরতি নেওয়া হয়। পরে আবার হাঁটা শুরু হয়। সূর্যের সোনালি আলোয় গাছের সারি, সাঁকো, পল্লির উঁচু-নিচু রাস্তা এবং গ্রামীণ জীবনের নানা দৃশ্য ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলে।

তাড়াহুড়া না থাকায় হাঁটার পথে নতুন পথ ও নতুন কথামালারও সূচনা হয়। নির্দিষ্ট পথ ভুলে একসময় প্রধান সড়কে পৌঁছান তাঁরা। গ্রুপ ছবির মাধ্যমে হাঁটার সমাপ্তি হয়। দীর্ঘ পথ হাঁটার পর দুধমাঠা পান করে সতেজতা ফিরে আসে।

শেষ গন্তব্যে যাওয়ার জন্য যান্ত্রিক যানে ওঠার এক মিনিটের মধ্যে মোবাইল হারানোর সংবাদ পাওয়া যায়। পরে গাড়ি ফিরিয়ে ভুলে রেখে আসা গাছের ডাল থেকে মোবাইলটি পাওয়া যায়। ভ্রমণের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মধ্যেও সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সমবেদনার প্রকাশ ঘটে।

শেষ গন্তব্যের জিরো পয়েন্টে পৌঁছে চায়ের কাপে উঠে আসে ‘চলেন হাঁটি সাহিত্যের পথে’ আয়োজনের নানা স্মৃতি। আলোচনায় কিশোর অপরাধ ও প্রযুক্তির অপপ্রয়োগ, সন্তানদের মোবাইল থেকে বইমুখী করা, শিল্প-অর্থনীতির সংকট, বড়বেলার স্কুলজীবন এবং উচ্চশিক্ষিত বেকারের বিষয়ও স্থান পায়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট