
নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নে প্রায় ডজনখানেক প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। উপজেলার অন্য কোনো ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত এত প্রার্থীর কথা শোনা যায়নি।
পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের উত্তরে বালিথুবা পূর্ব ও সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন, পূর্বে গুপ্টি পূর্ব ও গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন। ইউনিয়নটি মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত। মুক্তিযুদ্ধের সময় চাঁদপুর শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কঠিন হয়ে পড়লে তাঁরা এখানে ক্যাম্প স্থাপন করেছিলেন। পাইকপাড়া ইউ.জি. উচ্চ বিদ্যালয়ও সেই স্মৃতি বহন করছে।
ইউনিয়নে চৌরঙ্গী বাজার, শাহী বাজার ও পাইকপাড়া বাজার—এই তিনটি বাজার রয়েছে। কাঁশারা ভূঁইয়া বাড়িতে প্রাচীন আমলের তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদ রয়েছে। উপজেলা এলজিইডির অসহযোগিতার কারণে রাস্তাঘাটের সঠিক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ রাস্তা খারাপ বলে জানানো হয়।
ফরিদগঞ্জ নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নটির মোট ভোটার ২৫ হাজার ২৩২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ১০৮ জন এবং নারী ১২ হাজার ১২৪ জন। ভোটকেন্দ্র ৯টি ও ভোটকক্ষ ৪৮টি।
ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের পাটওয়ারী এবার নির্বাচন করবেন না। তাঁর পরিবর্তে তাঁর ছেলে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও পাইকপাড়া জুনিয়র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি aminul islam (ফরহাদ) নির্বাচন করবেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী, যিনি সাবু পাটওয়ারী নামে পরিচিত, নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া কাজী মোজাম্মেল হক, আবুল বাসার (সোহেল), জহিরুল ইসলাম গাজী, সাইফুদ্দীন পাটোওয়ারী (ফরহাদ) এবং আনোয়ার হোসেনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম গাজী, আবু তাহের পাটওয়ারী ও পাভেল পাটওয়ারী। আওয়ামী লীগের আলাউদ্দিন পাটওয়ারী এবং জামায়াত সমর্থিত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আবু জাফর মঞ্জুও আলোচনায় রয়েছেন।