
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফরিদগঞ্জ উপজেলার মধ্যে একমাত্র ইউনিয়ন পাইকপাড়া দক্ষিণে অনেক আগে থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের আয়তন ১২.৬১ বর্গকিলোমিটার। ইউনিয়নের উত্তরে পাইকপাড়া উত্তর, পূর্বে পাইকপাড়া উত্তর ও গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়ন, দক্ষিণে রূপসা উত্তর, পশ্চিমে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন এবং পশ্চিম-দক্ষিণে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নে গাজীপুর, কড়ৈতলী ও আনন্দ—এই তিনটি বাজার রয়েছে। কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি ইউনিয়নের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক রেজাউল করিম এই ইউনিয়নের কৃতী সন্তান।
মাদক, রাস্তাঘাট ও দারিদ্র্যকে ইউনিয়নের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির অভাব এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও কালভার্ট ভাঙা থাকার কথা বলা হয়েছে। উপজেলা এলজিইডির অসহযোগিতার কারণে ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের সঠিক তথ্য উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
ফরিদগঞ্জ নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নটিতে মোট ভোটার ২৪ হাজার ৪০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৭৩০ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৯টি এবং মোট ভোটকক্ষ ৪৬টি।
ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ পরিবারের শেখ হোসেন আহমেদ রাজন। তাঁর আগে চেয়ারম্যান ছিলেন একই পরিবারের মো. শওকত আলী। তিনি বর্তমানে খাজুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে বর্তমান চেয়ারম্যানও নির্বাচন করবেন বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে।
এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনেক আগে থেকেই মাঠে সক্রিয় বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির কাজী, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোক্তার আহমেদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সভাপতি কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু, সাবেক সহ-সভাপতি মো. সেলিম খান, সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম পারভেজ এবং সাবেক ইউপি সদস্য মো. সাঈদ খান।
জামায়াত সমর্থিত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাওলানা মো. নুরুল ইসলামের নাম রয়েছে।