
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাবুরহাট থেকে চাঁদপুর জেলা সদর, সফরমালি, বেপারীকান্দি, দাসাদী, দশানী, দিঘীরপাড়, মতলব, মুন্সিরহাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। প্রতিদিন রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, পিকআপ ও ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কের কিছু অংশ ঢালু হওয়ায় সেখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এর সঙ্গে ড্রেনের পানি রাস্তায় এসে জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। কাদা ও পানিতে গর্তগুলো অনেক সময় দেখা যায় না। বিশেষ করে রাতের বেলায় আলো স্বল্পতার কারণে রিকশা, সিএনজি ও মোটরসাইকেল গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এর আগে নিজ উদ্যোগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে পাথর, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে সংস্কারের চেষ্টা করেছেন। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য পৌর প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. মোবারক পালোয়ান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে বড় বড় গর্তের সঙ্গে ড্রেনের পানি ও কাদা জমে থাকায় মানুষের চলাচলে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান, ব্যক্তিগত উদ্যোগে আগে সড়কের কিছু অংশ সংস্কার করেছেন। মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় আবারও কিছু অংশে কাজ করার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে দ্রুত পৌর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থার বিষয়ে তারা অবগত। সড়কটির কাজের জন্য ইতোমধ্যে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বর্ষার কারণে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। বর্ষা কমলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে। তাঁর আশা, আগামী দুই মাসের মধ্যে সড়কটি উন্নত সড়কে রূপান্তর করা যাবে।
স্থানীয় রিকশা ও সিএনজি চালকেরা জানান, দিনের বেলায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা গেলেও রাতে সড়কটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। গর্তে পানি জমে থাকায় তা দেখা যায় না। ফলে যাত্রীসহ যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কার এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।