1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গুজ্বরে মারা যাওয়া মতলবের সামিরের স্বরণে সহপাঠীদের দোয়া মহামায়া বাজারে সুপার শপে হামলা-ভাঙচুর ও লুটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ শাহরাস্তিতে যানজট নিরসনে পৌর প্রশাসকের সভা কচুয়ায় বিয়ের ৫ মাসের মাথায় নবজাতক পুত্রসন্তান প্রসব, এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চাঁদপুরের পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগ উদ্দমদী মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ মতলব পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যানের স্মরণে শোকসভা উচ্ছেদের পরও দখলে শাহরাস্তির কালিবাড়ি মাঠের একাংশ, থামছে না দখলদারিত্ব ব্যাবসায়ী মারুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান

সভাকক্ষে মোবাইল—প্রযুক্তির ব্যবহার, নাকি মনোযোগের অপচয়?

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে
সভাকক্ষে মোবাইল—প্রযুক্তির ব্যবহার, নাকি মনোযোগের অপচয়?

অতি সম্প্রতি দুটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটি ঘটনায় সভা চলাকালে এক সিভিল সার্জনের বারবার মোবাইল ফোনে কথা বলায় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান প্রকাশ্যে বিরক্তি জানান এবং তাঁকে সভাস্থল ত্যাগ করতে বলেন। অন্য একটি ঘটনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ তাঁর বক্তব্য চলাকালে এক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে কথা বলার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় নোট নেওয়ার পরামর্শ দেন। ঘটনাগুলো আলাদা, ব্যক্তিরাও আলাদা; কিন্তু দুটির ভেতরে একটি অভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে—সরকারি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সভায় অংশগ্রহণকারীর মোবাইল ফোন ব্যবহারের সীমা কোথায়? প্রশ্নটি নিছক শিষ্টাচারের নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রশাসনিক দক্ষতা, পারস্পরিক সম্মান, সিদ্ধান্তের মান, সময়ের মূল্য এবং রাষ্ট্রীয় কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ।

সভা নিছক বসে থাকার জায়গা নয়; এটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্থান। আর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল শর্ত হলো পূর্ণ মনোযোগ। প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে সভায় কেবল শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকাকেই অনেকে দায়িত্ব পালন মনে করেন, যা যথাযথ নয়।

আধুনিক প্রশাসনে মোবাইল ফোন অপরিহার্য কর্ম-উপকরণ হওয়ায় সভার ভেতরে নথি দেখা বা জরুরি তথ্য নেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের সীমারেখা স্পষ্ট থাকা দরকার। জরুরি অফিসিয়াল কলের সঙ্গে সভার মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা বা দীর্ঘ ব্যক্তিগত কথোপকথন এক বিষয় নয়।

সুতরাং নীতি হওয়া উচিত—মোবাইল নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু সভার মনোযোগ নষ্ট করে এমন ব্যবহার আবশ্যিকভাবেই নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে সভার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাউকে প্রকাশ্যে অপমান না করে প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে সতর্ক করাই শ্রেয়।

প্রশাসনিক সংস্কৃতি গঠনে নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিজে মনোযোগী হলে অধস্তনদের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। সভায় কথা শোনার পাশাপাশি নোট নেওয়ার অভ্যাস চালু করা দরকার, যাতে সভার পর সিদ্ধান্ত ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

পাশাপাশি সভাগুলো দীর্ঘ ও অপ্রাসঙ্গিক না করে নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং পূর্বনির্ধারিত এজেন্ডা অনুযায়ী পরিচালনা করা উচিত।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট