
বসির আহমেদের গলায় নায়করাজ রাজ্জাকের ঠোঁটে গাওয়া তুমুল জনপ্রিয় একটি গান। পুরোনো গানগুলো আজও মানুষকে গভীরভাবে আবেগতাড়িত করে।
একটি ময়না পাখি সতেরো বছর ধরে একটি পরিবারের সদস্যের মতো ছিল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পাখিটির খাবারের অভ্যাসও গড়ে উঠেছিল। কলা, পাউরুটি, ভাত, মাছ, ডাল, নুডলসসহ পরিবারের মানুষ যা খেত, ময়নাটিও সেসব খাবার খেত।
লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, ময়নাটি ছোট ছেলের নাম ধরে ডাকত। কলিংবেল বাজলে বলত, ‘ও সৌহার্দ্য’। নিজের পরিচয় জানতে চাইলে বলত, ‘ময়না’; আবার নিজেই জিজ্ঞেস করত, ‘তোমার নাম কী?’ ‘ভালো আছি’ ও ‘কবে যাবি’—এ ধরনের কথাও পাখিটি বলত।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে ময়নাটি মারা যায় বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দিন ধরে তার শরীর খারাপ ছিল। হাঁচি, খাবারে অনীহা ও কথা না বলার মতো লক্ষণ দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে পানি ও পাখির ভিটামিন দেন। মৃত্যুর দিন বিকেলে মাছভাত খাওয়ানো হলেও সন্ধ্যায় খাঁচার ভেতর তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পাখিটির মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খাঁচা থেকে বের করে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। পরে টব, মাটি ও ফুলগাছ কিনে বারান্দাতেই তাকে সমাহিত করা হয়। স্থলপদ্ম গাছ না পাওয়ায় একটি কলিসহ থাই জবা গাছ স্থাপন করা হয়।
ময়নাটিকে খাঁচায় রাখার কারণ হিসেবে লেখায় বলা হয়েছে, ছেড়ে দিলে সেটি অন্যের হাতে পড়তে পারত কিংবা কুকুর-বিড়ালের শিকার হতে পারত। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানো পাখিটির মৃত্যু তাদের জন্য কষ্টের হয়ে উঠেছে।