
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ক্বারী আব্দুল মমিন তার মেয়ে আসমা বেগমকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের পর আসমা প্রায়ই বাবার বাড়িতে এসে তার ভাই ওসমানের স্ত্রী তামান্না আক্তারের সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বাবা বেঁচে থাকতেই ১২ শতাংশ জমি তার নামে লিখে দেওয়ার জন্যও দাবি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্বের বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্ত আসমা বেগম ও তার স্বামী গোলাম মোস্তফা ক্বারী আব্দুল মমিনকে হত্যার অসৎ উদ্দেশ্যে মারধর করেন এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র জোরপূর্বক নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ক্বারী আব্দুল মমিন বাদী হয়ে বিজ্ঞ আমলি আদালত, কচুয়া, চাঁদপুরে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর সিআর ৭৭২/২০২৬।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সালিশ বৈঠকে উপস্থিত আব্দুল মজিদ ও সবুজের দাবি, আসমা গ্রামবাসীর সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তার বাবা ক্বারী আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
ক্বারী আব্দুল মমিনের ছেলে ওসমান অভিযোগ করে বলেন, আমার বোন আসমা বরাবরই আমার সংসারে অশান্তি সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে ক্বারী আব্দুল মমিন জানান, পারিবারিক বিরোধ এবং বাবা বেঁচে থাকতে অযৌক্তিক সম্পত্তি দাবি করাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত আসমা ও তার স্বামীর কারণে পরিবারের সদস্যরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে পড়ায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে কচুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।