
কচুয়া প্রতিনিধি: কচুয়ায় নিজ প্রতিষ্ঠিত মহিলা মাদ্রাসার ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক ওয়ার্ড জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো. নুরুল আলম (৪০) উপজেলার ১২ নম্বর আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলম আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চক্রা গ্রামের বেনুছো বাড়ির ‘মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে ঘটনাটি ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী ওই ছাত্রীর মা আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, পড়ালেখার সময় নুরুল আলম তার মেয়েকে কৌশলে আবাসিক কক্ষে ডেকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন। পরে ছাত্রীটি কান্নাকাটি করে পড়ার কক্ষে ফিরে গিয়ে মাকে বিষয়টি জানায়। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শের পর তার মা কচুয়া থানায় মামলা করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই শিক্ষক এর আগেও মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন।
কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, ছাত্রীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ১০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার সকালে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।