
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাড়তি কোনো জরিমানা ছাড়াই শুধু মূল কর ও ফি জমা দিয়ে ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন, রুট পারমিটসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে। এ সুযোগ গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র হালনাগাদ করার জন্য গ্রাহকদের আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।
এদিকে, মোটরযান বিক্রয়ের পর দ্রুত মালিকানা হস্তান্তরের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে বিআরটিএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। তবে অনেকেই গাড়ি বিক্রয়ের পরও মালিকানা পরিবর্তন না করায় পুরোনো মালিককে অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্রিম আয়কর ও পরিবেশ সারচার্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
সেবা সহজ করতে অনলাইনের bsp.brta.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করে একই দিনে বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের সুবিধা চালু রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সে বরাদ্দকৃত ১২ পয়েন্ট থেকে আইন লঙ্ঘনের দায়ে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে বিআরটিএ।
তাই জরিমানা ছাড়ের এই সুযোগ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজে লাগিয়ে মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।