
জানা গেছে, ইসলাম গ্রহণের আগে ওই নারীর নাম ছিল সুমি সরকার এবং তাঁর ছেলের নাম ছিল রবিন সরকার। ধর্মান্তরের পর আদালতে হলফনামার মাধ্যমে মায়ের নাম রাখা হয়েছে খায়রুন নাহার এবং ছেলের নাম আব্দুল্লাহ। খায়রুন নাহার জানান, আগে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে ঢাকার ডেমরা এলাকায় বসবাস করতেন।
সম্প্রতি ছেলেকে নিয়ে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন খায়রুন নাহার। এ সময় তাঁদের আর্থিক ও সামাজিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন মাসুদ বেপারী।
নিজের ধর্মান্তর সম্পর্কে খায়রুন নাহার বলেন, ইসলামের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ইসলামের আন্তরিকতা, সততা, স্বচ্ছতা ও শান্তির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর ছেলেও নিজ ইচ্ছায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেছে।
নতুন পরিচয়ে ছেলেকে নিয়ে স্বাভাবিক, সুন্দর, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এদিকে মা-ছেলের পাশে দাঁড়ানো সমাজসেবী মাসুদ বেপারী বলেন, আব্দুল্লাহকে তিনি নিজের ভাইয়ের মতো এবং খায়রুন নাহারকে মায়ের মতো সম্মান করবেন। তাঁদের বিপদের সময়ে পাশে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য ও গর্বিত মনে করছেন তিনি। আব্দুল্লাহর চিকিৎসার ব্যয় বহনসহ ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই সমাজসেবী।
ধর্ম পরিবর্তনের পর নতুন সামাজিক বাস্তবতায় নিজেদের জীবন গুছিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মা-ছেলেকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে মানবিক সহমর্মিতা এবং সামাজিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।