1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামপুরে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা! প্রকাশ্যে আসামী রহমান রাজারগাঁও উদয়ন সংঘের মেধা যাচাই বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বাবুরহাটে মেগা ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট খোলা বাথরুমের পাশে তৈরি হচ্ছে ব্রেড-কেক-বিস্কুট, মতলবের কোয়ালিটি বেকারি নিয়ে উদ্বেগ মতলবে প্রথমবারের মতো সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫-এ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক

মোবাইলের যুগে বই পড়ার অভ্যাস

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে
মোবাইলের যুগে বই পড়ার অভ্যাস

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে মানুষের জীবনযাত্রার পাশাপাশি জ্ঞান অর্জনের পথও বদলেছে। একসময় অবসর, শিক্ষা ও চিন্তার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী বই এখন স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল বিনোদনের বিস্তারে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। অনেকের ধারণা, এতে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে। তবে ই-বুক, অডিওবুক ও অনলাইন লাইব্রেরির বিস্তারে পড়ার মাধ্যম বদলালেও বইয়ের গুরুত্ব শেষ হয়ে যায়নি।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে এখন জ্ঞানের বড় ভান্ডারে প্রবেশ করা সম্ভব। ই-বুক, অডিওবুক, অনলাইন লাইব্রেরি ও শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম বইকে সহজলভ্য করেছে। আগে যে বই সংগ্রহে সময় ও অর্থ ব্যয় হতো, তার অনেকটাই এখন কয়েকটি স্পর্শে পাওয়া যায়। ফলে বই হারিয়ে যায়নি; প্রযুক্তির মাধ্যমে তা নতুন রূপে মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও ও অবিরাম নোটিফিকেশন মানুষের মনোযোগ খণ্ডিত করছে। দীর্ঘ সময় ধরে বই পড়ে বিষয় গভীরভাবে বোঝার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তথ্যের ভিড়ে থেকেও জ্ঞানের গভীরে পৌঁছানো কঠিন হয়ে উঠছে।

বই পড়ার গুরুত্ব

বই পড়া শুধু তথ্য সংগ্রহ নয়; এটি মানুষকে ভাবতে, প্রশ্ন করতে ও নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মসমালোচনা করতে শেখায়। সাহিত্য অনুভূতিকে সমৃদ্ধ করে, ইতিহাস অতীত থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে এবং দর্শন ও বিজ্ঞান যুক্তিবাদী চিন্তার ভিত্তি গড়ে। তাই বই পড়ার অভ্যাস কমে গেলে চিন্তার পরিসর সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

তরুণদের জন্য ধৈর্য, মনোযোগ ও গভীর পাঠের অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। প্রযুক্তিতে দক্ষতা ও দ্রুত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক ও মানবিক মানুষ হয়ে উঠতেও বইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। পাঠ্যবই পরীক্ষায় ভালো ফল আনতে পারে, কিন্তু বিভিন্ন ধরনের বই জীবনকে বুঝতে সহায়তা করে।

পরিবার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত বই পড়লে, বই নিয়ে আলোচনা করলে এবং উপহার হিসেবে বই দেওয়ার চর্চা করলে শিশুদের আগ্রহ বাড়তে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাগারকে প্রাণবন্ত করা, পাঠচক্র আয়োজন ও বইভিত্তিক সৃজনশীল কার্যক্রমও এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

প্রযুক্তিকে দোষারোপ না করে বই পড়ার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। মুদ্রিত বই পড়ার সুযোগ না থাকলে ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমে পাঠচর্চা চালানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বই আলোচনা, পর্যালোচনা ও পাঠাভ্যাস নিয়ে ইতিবাচক উদ্যোগও তরুণদের উৎসাহিত করতে পারে।

একটি ভালো বই একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে তাকে আরও সহনশীল, যুক্তিবাদী ও মানবিক করে তুলতে পারে। তাই বই পড়া বিলাসিতা নয়; ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট