
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশ্রয় প্রকল্পের কয়েকটি ঘরে বসবাসের পরিবর্তে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করা হচ্ছে। পশুপাখির বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না করায় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে প্রকল্পের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে এবং আশপাশের পরিবারগুলো দুর্ভোগে পড়ছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, মিজান আশ্রয় প্রকল্পের একাধিক ঘরে গবাদিপশু পালন করছেন। এর ফলে আবাসিক এলাকার পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও করছেন তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, আশ্রয় প্রকল্পের ঘরগুলো ভূমিহীন ও অসহায় মানুষের বসবাসের উপযোগী রাখার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। গবাদিপশু পালন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ঘরগুলোর ব্যবহারসংক্রান্ত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় চরপাথালিয়া আশ্রয় প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি নিরসন করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজান বলেন, “আমার ঘরে আমি গরু পালন করছি। প্রয়োজনে আমি কালকে গরু বিক্রি করে দেব।”