1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশে চ্যাম্পিয়ন ‘থিতান’, রানার আপ ‘গ্রীন পোলারিস’ ও ‘শূন্য’ দু প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সাঁতার ও দাবায় বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাফল্য ফরিদগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন পাটওয়ারী শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নবাগত সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা হাজীগঞ্জে অনুমতি ছাড়া পুকুর ভরাটের অভিযোগে ড্রেজার পাইপ ধ্বংস চাঁদপুর সরকারি কলেজ নাট্যমঞ্চের প্রথম প্রযোজনা ‘মহুয়া’ মঞ্চস্থ ইলিশের নদী ও জেলেদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে প্রশংসিত ‘জলরূপালী’ সবার আগে বাংলাদেশ নীতিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: মাহ্দী আমিন রঙ-তুলিতে স্বপ্ন আঁকে মোমেনা ফাইরোজ নুহিন

কচুয়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

কচুয়া প্রতিনিধি: চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বরুচর গ্রামে এক কুয়েতপ্রবাসীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ ও খোঁজখবর না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওই প্রবাসীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগও করেছেন তার স্ত্রী ও শ্বশুরপক্ষ। এ ঘটনায় স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে পরিবারের মধ্যে।

অভিযুক্ত প্রবাসীর নাম আবু মুসা। তিনি বরুচর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার। প্রায় ২৩ বছর আগে ভালোবেসে মাহমুদা আক্তারকে বিয়ে করেন আবু মুসা। তাদের সংসারে মনিরা আক্তার, মাকসুদা আক্তার ও মাহমুদুল হাসান নামে তিন সন্তান রয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আবু মুসা বিদেশে অবস্থান করলেও স্ত্রী-সন্তানদের যথাযথ ভরণপোষণ ও খোঁজখবর রাখছেন না। এতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। বড় মেয়ে মনিরা আক্তারের বিয়ে হলেও ছোট মেয়ে মাকসুদা আক্তার বিয়ের উপযুক্ত বয়সে পৌঁছেছেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তার বিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। একমাত্র ছেলে মাহমুদুল হাসানের পড়াশোনার খরচও নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি স্বজনদের।

মাহমুদা আক্তারের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২৩ বছর আগে তার মেয়ে মাহমুদাকে পছন্দ করে বিয়ে করেন আবু মুসা। বিয়ের পর তাদের তিন সন্তান হয়। তিনি বলেন, ‘আমি একজন গরিব মানুষ। মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের অসহায়ত্বের কারণে আমিও খুব বিপদে আছি। তাদের সংসারের দায়িত্ব নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি আরও জানান, লোকমুখে জানতে পেরেছেন, গত ১৬ আগস্ট চাঁদপুরের বিজ্ঞ নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ের মাধ্যমে আবু মুসা তার মেয়েকে তালাক দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা ছাড়া একতরফাভাবে তালাক দেওয়ার বিষয়টি আমরা সামাজিকভাবে মেনে নিতে পারছি না। আমার মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চিন্তিত। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমাধানের জন্য প্রশাসনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন মহলের সহযোগিতা চাই।’

এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাহমুদা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সংসার সামলে আসছেন। স্বামী বিদেশে থাকায় পরিবারের অনেক দায়িত্বই তাকে একাই পালন করতে হয়েছে। বর্তমানে স্বামীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় সন্তানদের নিয়ে তিনি অনেকটা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশিদ, সফিকুল ইসলাম, কেফায়েত উল্লাহসহ কয়েকজন বলেন, ‘মাহমুদা আক্তার আমাদের গ্রামের মধ্যে একজন নম্র-ভদ্র ও ভালো মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী আবু মুসা স্ত্রী-সন্তানদের খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় ভরণপোষণ না দেওয়ায় তারা কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’

তারা আরও বলেন, পারিবারিক বিষয় হওয়ায় সামাজিকভাবে বসে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করা সম্ভব। তারা আশা প্রকাশ করেন, আবু মুসা দেশে ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বিষয়টির একটি সুষ্ঠু সমাধান করবেন।

পরিবারের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যে বিরোধই থাকুক না কেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চয়তার মধ্যে না পড়ে। বিশেষ করে মেয়ের বিয়ে ও ছেলের পড়াশোনার বিষয়টি বিবেচনা করে আবু মুসা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা পরিবারের।

তবে অভিযোগের বিষয়ে আবু মুসা জানান, তার বৃদ্ধা মা আমেনা বেগমের সঙ্গে মাহমুদা আক্তার খারাপ ব্যবহার করায় তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট