1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দু প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সাঁতার ও দাবায় বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাফল্য ফরিদগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন পাটওয়ারী শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নবাগত সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা হাজীগঞ্জে অনুমতি ছাড়া পুকুর ভরাটের অভিযোগে ড্রেজার পাইপ ধ্বংস চাঁদপুর সরকারি কলেজ নাট্যমঞ্চের প্রথম প্রযোজনা ‘মহুয়া’ মঞ্চস্থ ইলিশের নদী ও জেলেদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে প্রশংসিত ‘জলরূপালী’ সবার আগে বাংলাদেশ নীতিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: মাহ্দী আমিন রঙ-তুলিতে স্বপ্ন আঁকে মোমেনা ফাইরোজ নুহিন হাওয়াইয়ান গিটারে তিন যুগ ধরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন দিলীপ কুমার ঘোষ

মতলব উত্তরে গ্ৰীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

মতলব উত্তর প্রতিনিধি : চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ৫৩তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্ৰীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রতিটি স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, একাডেমিক সুপারভাইজার ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে।

খোজ নিয়ে জানা যায়, এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলার মাধ্যমমিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি মতলব উত্তর উপজেলার রশিদ দিয়ে সদ্য গঠিত মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে উপজেলার ৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ২ লাখ ২০ হাজার ৫০০ টাকা ক্রীড়া ফি (চাঁদা) বাবদ আদায় করা হয়।

ছিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল হক পাটোয়ারী বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস, একাডেমিক সুপারভাইজারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাঁদা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন ক্রীড়া আয়োজন, শিক্ষক সমাবেশসহ নানা অনুষ্ঠানের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। এমনকি গত মাসেও শিক্ষক সমাবেশের কথা বলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা কর্মসূচি সফল করার নামেও শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্দিষ্ট অঙ্কের চাঁদা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। অনেক প্রধান শিক্ষক অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমিতির চাপের কারণে এসব টাকা দিতে বাধ্য হন।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষকরা বলেন, এসব টাকা কোথায়, কিভাবে এবং কতটুকু খরচ করা হচ্ছে তার স্বচ্ছ হিসাবও অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। এমনকি টাকা উত্তোলন ও ব্যয়ের বিষয়ে নিয়মিত কোনো রেজুলেশন করা হয় না বলেও তারা অভিযোগ করেন। ফলে শিক্ষক সমিতির নামে আদায় করা এসব অর্থের হিসাব-নিকাশ ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস, একাডেমিক সুপারভাইজার ও শিক্ষক সমিতির সমন্বয়ে ক্রীড়া ফি বাবদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায়ের রসিদ (কপি) দিয়েই টাকা নেওয়া হয়েছে।

নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল্লা বলেন, ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আলোচনা করে আমাদেরকে জানিয়েছে ৩৫০০ টাকা করে দিতে হবে। আমাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের রসিদ (কপি) দিয়েই টাকা নিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ধনাগোদা তালতলী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফারুকুল আলম বলেন, মতলব উত্তরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কুল প্রধানদের সাথে আলোচনা করে ৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা হিসাবে মোট আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার ৫০০ টাকা ক্রীড়া ফি (চাঁদা) উত্তোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ টাকা কিভাবে খরচ করা হয় জানতে চাইলে তিনি চাঁদপুর আছেন বলে ফোন রেখে দেন।

এ বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী বাবদ প্রতি একজনের জন্য ১২ টাকা করে ক্রীড়া খরচের ফি ধরা হয়েছে। এর বাইরে যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করে থাকে, তাহলে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরত দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, গ্ৰীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রোগ্রাম প্রতি বছরই হয়ে থাকে। কিন্তু শিক্ষক সমিতি ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস রসিদ কপি দিয়ে (চাঁদা) উত্তোলনের বিষয়টিতে আমি অবগত নই।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট