1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশে চ্যাম্পিয়ন ‘থিতান’, রানার আপ ‘গ্রীন পোলারিস’ ও ‘শূন্য’ দু প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সাঁতার ও দাবায় বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাফল্য ফরিদগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন পাটওয়ারী শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নবাগত সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা হাজীগঞ্জে অনুমতি ছাড়া পুকুর ভরাটের অভিযোগে ড্রেজার পাইপ ধ্বংস চাঁদপুর সরকারি কলেজ নাট্যমঞ্চের প্রথম প্রযোজনা ‘মহুয়া’ মঞ্চস্থ ইলিশের নদী ও জেলেদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে প্রশংসিত ‘জলরূপালী’ সবার আগে বাংলাদেশ নীতিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: মাহ্দী আমিন রঙ-তুলিতে স্বপ্ন আঁকে মোমেনা ফাইরোজ নুহিন

মোবাইলের যুগে বই পড়ার অভ্যাস

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
মোবাইলের যুগে বই পড়ার অভ্যাস

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে মানুষের জীবনযাত্রার পাশাপাশি জ্ঞান অর্জনের পথও বদলেছে। একসময় অবসর, শিক্ষা ও চিন্তার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী বই এখন স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল বিনোদনের বিস্তারে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। অনেকের ধারণা, এতে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে। তবে ই-বুক, অডিওবুক ও অনলাইন লাইব্রেরির বিস্তারে পড়ার মাধ্যম বদলালেও বইয়ের গুরুত্ব শেষ হয়ে যায়নি।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে এখন জ্ঞানের বড় ভান্ডারে প্রবেশ করা সম্ভব। ই-বুক, অডিওবুক, অনলাইন লাইব্রেরি ও শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম বইকে সহজলভ্য করেছে। আগে যে বই সংগ্রহে সময় ও অর্থ ব্যয় হতো, তার অনেকটাই এখন কয়েকটি স্পর্শে পাওয়া যায়। ফলে বই হারিয়ে যায়নি; প্রযুক্তির মাধ্যমে তা নতুন রূপে মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও ও অবিরাম নোটিফিকেশন মানুষের মনোযোগ খণ্ডিত করছে। দীর্ঘ সময় ধরে বই পড়ে বিষয় গভীরভাবে বোঝার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তথ্যের ভিড়ে থেকেও জ্ঞানের গভীরে পৌঁছানো কঠিন হয়ে উঠছে।

বই পড়ার গুরুত্ব

বই পড়া শুধু তথ্য সংগ্রহ নয়; এটি মানুষকে ভাবতে, প্রশ্ন করতে ও নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মসমালোচনা করতে শেখায়। সাহিত্য অনুভূতিকে সমৃদ্ধ করে, ইতিহাস অতীত থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে এবং দর্শন ও বিজ্ঞান যুক্তিবাদী চিন্তার ভিত্তি গড়ে। তাই বই পড়ার অভ্যাস কমে গেলে চিন্তার পরিসর সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

তরুণদের জন্য ধৈর্য, মনোযোগ ও গভীর পাঠের অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। প্রযুক্তিতে দক্ষতা ও দ্রুত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক ও মানবিক মানুষ হয়ে উঠতেও বইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। পাঠ্যবই পরীক্ষায় ভালো ফল আনতে পারে, কিন্তু বিভিন্ন ধরনের বই জীবনকে বুঝতে সহায়তা করে।

পরিবার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত বই পড়লে, বই নিয়ে আলোচনা করলে এবং উপহার হিসেবে বই দেওয়ার চর্চা করলে শিশুদের আগ্রহ বাড়তে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাগারকে প্রাণবন্ত করা, পাঠচক্র আয়োজন ও বইভিত্তিক সৃজনশীল কার্যক্রমও এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

প্রযুক্তিকে দোষারোপ না করে বই পড়ার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। মুদ্রিত বই পড়ার সুযোগ না থাকলে ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমে পাঠচর্চা চালানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বই আলোচনা, পর্যালোচনা ও পাঠাভ্যাস নিয়ে ইতিবাচক উদ্যোগও তরুণদের উৎসাহিত করতে পারে।

একটি ভালো বই একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে তাকে আরও সহনশীল, যুক্তিবাদী ও মানবিক করে তুলতে পারে। তাই বই পড়া বিলাসিতা নয়; ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট