নির্মাণ কাজের ফলক উন্মোচন শেষে ভবনের ইট গেঁেথ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। পরে তাদের হাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঈদের জামা কাপড় ও চিনি সেমাই তুলে দেন।
এর আগে জেলা প্রশাসক ফািরদগঞ্জ পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডেও আজিম বাড়িতে এসে শারিরিক প্রতিবন্ধী এই পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তাদের প্রতিবন্ধী হওয়ার কাহিনী ও জীবন মান সর্ম্পকে জানেন।
পরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সমাজের আয়না গণমাধ্যম। তার আরেকটি বড়ো উদহারণ সৃষ্টি হয়েছে ফরিদগঞ্জে। বিভিন্ন টিভি ও সংবাদপত্রে ছয় প্রতিবন্ধী ভাইবোনের করুণ কাহিনী উঠে আসার পরই আমাদের নজরে আসে। শুধু আমরা নই, সমাজের যারা বিত্তশালী রয়েছেন তাদেরও উচিত সরকারের পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সহায়তায় এগিয়ে আসা। আমরাও এখানেই থেমে থাকবো না ফরিদগঞ্জসহ পুরো জেলায় যেখানেই প্রতিবন্ধীসহ অসহায় লোকজন রয়েছেন সেখানে ছুটে যাবো।
উল্লেখ্য. ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের আজিম বাড়ির বাসিন্দা মনুহর ও ফুল বানু দম্পত্তির ৭ সন্তানসহ বর্তমানে ৮ সদস্যের পরিবারের ৫ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে শুধু বড় মেয়ে সুস্থ্ আছেন। বাকি সন্তানরা সবাই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তাদের শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধলেও অর্থাভাবে হচ্ছেনা চিকিৎসা, অনাহারে কাটছে জীবন। থাকার নেই ভালো বাসস্থানের ব্যবস্থা। তাই পুরো পরিবারের জীবন যাপন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। ছোট্ট একটি কুঁড়ে ঘরেই তাদের জীবন ধারণ চলছে। গাদাগাদি করে তারা থাকছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধীরা হলেন- মনুহর ও ফুল বানু দম্পত্তির ছেলে নুরুল ইসলাম (৪৩), তাজুল ইসলাম (৪১), জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৭), বিল্লাল হোসেন (৩৬), মো. আবদুর রব (৩৪), রেহানা বেগম (২৫)। সুস্থ স্বাভাবিকভাবে জন্ম হলেও ৬ থেকে ৭ বছর বয়সে সবাই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রতিবন্ধী জীবনে প্রবেশ করেন তারা।