
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২৯ ডলার বা ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ৬৯ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩০ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ৯৭ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক তাদের সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দৈনিক ৫ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেলে নামিয়ে এনেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত সরবরাহ সংকট ও উচ্চমূল্যের প্রভাবে জ্বালানি ব্যবহারের হার কমতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যিক তেলের মজুত বৃদ্ধিও বিশ্ববাজারে দরপতনের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ৭ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির তেলের মজুত ১ কোটি ৭৪ লাখ ব্যারেল বেড়ে ৪২ কোটি ৪৪ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর এক সপ্তাহে এটি সর্বোচ্চ মজুত বৃদ্ধির ঘটনা।
তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এখনো বড় ঝুঁকি হয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান রাজনৈতিক মধ্যস্থতার অগ্রগতি না হওয়া এবং কৌশলগত হরমুজ ও বাব আল-মানদেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সংঘাতের আশঙ্কা তেলের দাম আরও বড় পতন থেকে কিছুটা আটকে রাখছে।