
মোঃ আনোয়ার মৃধা: মতলব বাজার বণিক ও জনকল্যাণ সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। আগামী ১০ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। সমিতির এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের প্রচারণায় সরব হয়ে উঠছে পুরো বাজার এলাকা।
নির্বাচনে বিভিন্ন পদে প্রার্থীদের প্রচারণায় নানা বৈচিত্র্য দেখা গেলেও প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থী মাহফুজ ডিজিটাল প্রিন্ট সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মাহফুজ মল্লিকের ‘মাইক’ প্রতীকের প্রচারণা ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বেশ আলোচনা তৈরি করেছে।
মাহফুজ মল্লিকের সমর্থকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে তার একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বাজারের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাহফুজ মল্লিককে তারা সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে তরুণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে তার প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নিজের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরছেন তিনি।
একাধিক ভোটার বলেন, আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই, যিনি ব্যবসায়ীদের সমস্যা বুঝবেন এবং তা সমিতির মাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরবেন। মাহফুজ মল্লিকের মধ্যে সেই যোগ্যতা ও আগ্রহ রয়েছে বলে আমরা মনে করি।
ব্যবসায়ীদের কয়েকজনের মতে, বণিক সমিতিকে আরও কার্যকর ও ব্যবসায়ীবান্ধব করতে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করা এবং প্রয়োজনে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে মাহফুজ মল্লিক ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।
এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় মাহফুজ মল্লিক ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন ও সেবার বিষয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, বণিকদের ভালোবাসাই আমার শক্তি। নির্বাচিত হলে তাদের ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।
নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় প্রার্থীরা এখন ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে ব্যস্ত। ফলে ১০ অক্টোবরের ভোটে ব্যবসায়ীরা কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন, সেদিকেই এখন নজর সবার।