
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চান্দ্রা-ভুলু ডাক্তার ব্রিজ থেকে পাইকদী (আবাবিল) ঘাট পর্যন্ত সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সিএনজি অটোরিকশা, অটোরিকশা, ট্রলি, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও ট্রাক্টর চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের দুপাশ ভেঙে মাটি বের হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের আশপাশে থাকা দুটি ইটভাটার ইট এবং বালু ব্যবসায়ীদের বালু-মাটি নিষিদ্ধ ট্রাক্টর ও ট্রাকের মাধ্যমে পরিবহন করা হয়। এসব ভারী যানবাহন নিয়মিত চলাচলের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রভাবশালী মহলের পরিবহন হওয়ায় এ বিষয়ে স্থানীয়রা অনেক সময় প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের পাকা অংশ ভেঙে মাটি বের হয়ে গেছে। প্রায় চার-পাঁচ বছরের মধ্যে নির্মিত পাকা সড়কটির বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হয়, এটি বহু বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশের কারণে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
অটোরিকশাচালক রবিউল বলেন, “ট্রাক ও ট্রাক্টর চলাচলের কারণে সড়কটি ভেঙে গেছে। এখন গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হয়। গর্তের কারণে গাড়ি কাত হয়ে চলাচল করে। দ্রুত সড়কটি মেরামত করা প্রয়োজন।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাব্বির গাজী, নাছির ও লিটন বলেন, ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেই সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা হয়েছে। নিষিদ্ধ ট্রাক্টর ও ট্রাক চলাচল বন্ধ করার পাশাপাশি দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। সড়কটি মেরামত করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং অতিরিক্ত ভারী ও নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।