1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুর শহরের ব্যস্ততম এলাকায় অটো পার্টসের দোকানে চুরি শিশুদের চোখ ও স্বাস্থ্যের যত্ন ছোটবেলা থেকেই নিশ্চিত করতে হবে চাঁদপুরে ১২ মাদক কারবারি ও ২২ কিশোর গ্যাং সদস্য আটক কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে

হাইমচরে নিলাম ছাড়াই সরকারি ঘেরের মাছ বিক্রি, আদালতের রিসিভার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ চাঁদপুরের হাইমচরে আদালতের নির্দেশে সরকারি একটি মৎস্য ঘেরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাওয়া তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে ঘেরের ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা মূল্যের মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কোনো ধরনের উন্মুক্ত নিলাম ছাড়াই গত ১৫ আগস্ট ঘের থেকে ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ আহরণ করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত ওসির দাবি, তিনি ঘেরে থাকা পোনা মাছের পরিমাণ পরীক্ষা করতে জাল ফেলেছিলেন এবং মাত্র ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকার মাছ পাওয়া যায়। বিক্রির টাকা এখনো সরকারি কোনো হিসাবে জমা হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।

হাইমচর উপজেলার নীল কমল ইউনিয়নের মাঝের চরের এই মৎস্য ঘেরটি সরকারি সম্পত্তি। স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ভাই জে. আর. ওয়াদুদ টিপু দীর্ঘদিন ধরে ঘেরটি দখলে রেখেছিলেন। এ নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়ালে সম্পত্তিটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হাইমচর থানার ওসিকে মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানিতে রিসিভার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট ওসি নাজমুল হাসান নিজে উপস্থিত থেকে জেলেদের সহযোগিতায় ঘের থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ আহরণ করেন। তাদের দাবি, প্রায় ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ তুলে নেওয়া হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির মাছ উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, ঘেরে কী পরিমাণ পোনা মাছ আছে, তা পরীক্ষা করার জন্য জাল ফেলা হয়েছিল। সামান্য কিছু মাছ পাওয়া যায়। পরে কমিটির মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। তবে বিক্রির অর্থ এখনো সরকারি কোনো অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় এই বিষয়ে বলেন, এই মাছ বিক্রির বিষয়ে কোনো নিলামের অফিশিয়াল চিঠি বা দাপ্তরিক তথ্য আমার দপ্তরে আসেনি। মাছ বিক্রি হয়ে থাকলে ওই অর্থ কোন কোষাগারে জমা হয়েছে, তা আমার জানা নেই।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট