1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে চাঁদপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬ চাঁদপুরে ৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জেলের বিরুদ্ধে মামলা ফরিদগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

১৫১ জনের নামে মিড-ডে মিল, উপস্থিত ৭৫; বাকি খাবারের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

মতলব উত্তর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ২০নং ইমামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫১ জন শিক্ষার্থীর নামে মিড-ডে মিলের খাবার বরাদ্দ হলেও সরেজমিনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত পাওয়া গেছে মাত্র ৭৫ জনকে। ফলে বাকি ৭৬ জন শিক্ষার্থীর নামে বরাদ্দকৃত খাবারের হিসাব নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। বিষয়টি জানতে চাইলে সরাসরি কোনো বক্তব্য না দিয়ে লিখিত আবেদন করার কথা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহানা ইসলাম।

সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে ‘মিড-ডে মিল’ কার্যক্রম চালু করেছে। নিয়মিত এ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার সরবরাহ করা হলেও ইমামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্দ ও উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধানের বিষয়টি সামনে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয়ের শ্রেণিভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ১৪ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১৫ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ১৫ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ২৩ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৮ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। সব মিলিয়ে উপস্থিতির সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫ জনে। অথচ বিদ্যালয়ের হিসাবে শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫১ জন।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, উপস্থিত শিক্ষার্থীর তুলনায় অতিরিক্ত ৭৬ জনের নামে বরাদ্দকৃত খাবারের কীভাবে হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি বরাদ্দের খাবার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাবার থাকলে তার সংরক্ষণ, বিতরণ কিংবা সমন্বয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব থাকা উচিত বলেও তারা মনে করেন।

বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহানা ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীদের কোনো মৌখিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে আপনাদের কোনো উত্তর দেব না। আপনারা আমার কাছে লিখিতভাবে আবেদন করলে আমি তার লিখিত জবাব দেব।

প্রধান শিক্ষকের এমন বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, সরকারি বরাদ্দের খাবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে তাদের অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে বিধি মোতাবেক অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সরকারি খাদ্য বা অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। মিড-ডে মিলের খাবারে শিক্ষার্থী সংখ্যার সঙ্গে উপস্থিতির যে তফাৎ দেখা গেছে এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার যে বিষয়টি উঠেছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তদন্তে যদি কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট