
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সার্থকতা কেবল ডিগ্রি প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অর্জিত জ্ঞানকে কীভাবে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কর্মজীবনে প্রয়োগ করছে এবং দেশ ও জাতির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে—তার ওপরই নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উৎকর্ষ। এই সত্যকে লালন করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) ধারাবাহিকভাবে যে মানসম্মত শিক্ষা ও শক্তিশালী ক্যারিয়ার সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে চলেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬’ তার এক উজ্জ্বল প্রমাণ।
আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করা নবীন গ্র্যাজুয়েটদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের নিয়োগে ভূমিকা রাখা শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সেরা নিয়োগকর্তা’ হিসেবে স্বীকৃতি জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ধরনের আয়োজন নবীন চাকরিজীবীদের কাজে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারে।
অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল পরিবেশবান্ধব আয়োজন। প্রচলিত ফুলের তোড়ার পরিবর্তে কৃতী গ্র্যাজুয়েটদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির শোভাবর্ধক ইনডোর প্ল্যান্ট তুলে দেওয়া হয়। গাছগুলোর সঙ্গে যুক্ত ছিল “আপনার সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনায়” বার্তা। এর মাধ্যমে পেশাগত সাফল্য ও প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি একসঙ্গে তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে গার্ড অব অনার, বর্ণাঢ্য র্যালি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে গ্র্যাজুয়েটদের সম্মান জানানো হয়।
ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ এবং সেই সাফল্য উদযাপনের একটি ধারাবাহিকতার দিক তুলে ধরে।