1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে চাঁদপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬ চাঁদপুরে ৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জেলের বিরুদ্ধে মামলা ফরিদগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

বিত্তবানদের মধ্যে চিত্তবানই কেবল এমন কাজ করতে পারেন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বিত্তবানদের মধ্যে চিত্তবানই কেবল এমন কাজ করতে পারেন

একজন মানুষের প্রকৃত সচ্ছলতার পরিচয় কেবল তাঁর অর্থ-সম্পদে নয়; বরং সেই সম্পদ সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কতোটা কাজে লাগছে, তার মধ্যেই নিহিত। অর্থবিত্ত অনেকেরই থাকে, কিন্তু সেই বিত্তকে শিক্ষার আলো ছড়ানোর কাজে ব্যয় করার মানসিকতা সবার থাকে না। শাহরাস্তির ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক পাঠাগার নির্মাণে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবু ইউসুফ রুপনের উদ্যোগ তাই নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়।

১২৭ বছরের পুরোনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ১ হাজার ৪১৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এমন একটি বড় প্রতিষ্ঠানে আধুনিক পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর আবু ইউসুফ রুপন নিজের অর্থে পাঠাগারটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতোমধ্যে এতে পাঁচ লাখের বেশি টাকা ব্যয় হয়েছে; কাজ শেষ করতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ছয় লাখ টাকা। চার হাজার বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে পাঠাগারটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা যায়।

রুপন নিজেই এই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। তাঁর ভাষায়, ‘এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছি, এবার দেওয়ার পালা।’ নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁর এই দায়বদ্ধতা একজন শিক্ষিত ও বিত্তবান মানুষের সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রকাশ। যে প্রতিষ্ঠান একজন মানুষকে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে, তার প্রতি এমন বাস্তব কৃতজ্ঞতা দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।

শিক্ষার্থীদের বিকাশে পাঠাগারের ভূমিকা

পাঠাগার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিছক একটি কক্ষ নয়। এটি শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি, মনন ও সৃজনশীলতা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান। পাঠ্যবইয়ের বাইরে সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বই পড়ার সুযোগ শিক্ষার্থীদের চিন্তার পরিসর বাড়ায়। তাই আধুনিক পাঠাগারে বিনিয়োগকে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর বিনিয়োগ হিসেবে দেখা যায়।

সমাজের বিত্তবান মানুষেরা যদি সম্পদের একটি অংশ বিদ্যালয়, পাঠাগার, চিকিৎসা, দরিদ্র শিক্ষার্থী ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেন, তাহলে ব্যক্তিগত সাফল্য সামাজিক সাফল্যে রূপ নিতে পারে। আবু ইউসুফ রুপনের উদ্যোগ সেই সম্ভাবনার একটি উদাহরণ।

তবে পাঠাগার নির্মাণের পর এর নিয়মিত ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাও জরুরি। পাঠাগার নিয়মিত খোলা রাখা, সময়ের সঙ্গে বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পাঠচক্র ও বইপাঠ কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন। এতে অবকাঠামোগত বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।

এই উদ্যোগের শিক্ষা হলো, বিত্তের সঙ্গে চিত্তের সংযোগ ঘটলে ব্যক্তিগত অর্জন বৃহত্তর সমাজের সম্পদে পরিণত হতে পারে। একজন সাবেক শিক্ষার্থী তাঁর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে নতুন প্রজন্মের জন্য জ্ঞানের সুযোগ বাড়াচ্ছেন। অন্য বিত্তবানরাও শিক্ষা ও সমাজের প্রতি এমন দায়বদ্ধতা অনুভব করলে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেহারা বদলে যেতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট