
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশনস) মো. সাইফুল ইসলামের সই করা পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরির হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্য তথ্য বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন ইলেকট্রনিকভাবে অনুমোদন বা বাতিলের সময় সিএমএসে (কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) বাধ্যতামূলকভাবে নোট দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন। প্রতি মাসে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। পরে এ বিষয়ে প্রতিবেদন পরিচালক (অপারেশনস)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।
এ ছাড়া উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখসহ নিজের নাম, বাবা ও মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের আবেদন মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে।
নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার কোনো সংশোধন করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশনের নতুন এ নির্দেশনার ফলে এনআইডি সংশোধনে মাঠপর্যায়ে সাধারণ নাগরিকদের দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।