
‘আমি ব্যাংকে টাকা রেখেছি, কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে চিনি না। ব্যাংক কর্মকর্তা আসবেন-যাবেন, কিন্তু আমার টাকা ফেরত দিতে হবে ব্যাংককেই’—মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় এভাবেই আকুতি ও ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী গ্রাহক বিনা বেগম।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) খোয়া যাওয়া টাকা ফেরত পাওয়ার আবেদন জমা দিতে অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীনগর শাখায় যান তিনি। সেখানে গিয়ে বিনা বেগম জানতে পারেন, অভিযুক্ত ক্যাশ অফিসার মো. শফিকুজ্জামান সোহাগের নামে লিখিত আবেদনে তাকে কর্মকর্তার সঙ্গে ‘ব্যক্তিগতভাবে’ ক্যাশ লেনদেন করেছেন—এ কথা উল্লেখ করতে হবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এমন শর্তের কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিনা বেগম। ব্যাংকের ভেতরেই তার আহাজারিতে পরিস্থিতি হৃদয়বিদারক হয়ে ওঠে। তিনি এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অগ্রণী ব্যাংক একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। তিনি কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, ব্যাংকের ক্যাশে টাকা জমা দিয়েছেন। তাই ব্যাংক এই দায় এড়াতে পারে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ সময় ব্যাংকে উপস্থিত অন্যান্য প্রতারিত ও ভুক্তভোগী গ্রাহকেরাও বিনা বেগমের দাবির সঙ্গে একমত হন। দ্রুত জমানো টাকা ফেরত পেতে তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।