
ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে শতবর্ষ পার হওয়ার আগেই ইসলামের পতাকা উড়বে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। লেখায় বলা হয়েছে, গত ৪০ বছরে দেশটিতে তিন হাজারের বেশি ইসলামিক সেন্টার গড়ে উঠেছে; এর সঙ্গে রয়েছে ইসলামিক স্কুল ও হিফজখানা।
লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন। ৯/১১-এর পর মুসলমানদের ওপর দায় চাপিয়ে ইরাক ও আফগানিস্তানে বহু মুসলমান নিহত হলেও দেশটিতে ইসলামিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত হচ্ছে বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়। জায়গার সংকটের কারণে অনেক মসজিদে শুক্রবার দুটি করে জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও কমে যাওয়া পুণ্যার্থীর কারণে গির্জা কিনে মসজিদে রূপান্তরের কথাও লেখা হয়েছে।
লেখক জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যুক্তরাষ্ট্রে এসে ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি হান্টসভিল ইসলামিক সেন্টারের নির্মাণ কমিটি ও পরিচালনা পর্ষদের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি মসজিদ ও বিদ্যালয়ের জন্য দান করার কথাও বলেছেন।
লেখায় বলা হয়েছে, হাজার হাজার মুসলিমের অবদানে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের অবস্থান শক্ত হয়েছে। সেখানে আরও দাবি করা হয়, মাদ্রাসাশিক্ষিত আলেমদের সরাসরি ভূমিকা বা কোনো মুসলিম দেশের ধনকুবের রাজাদের বিলিয়ন ডলারের সহায়তা ছাড়াই দেশটিতে তিন হাজারের বেশি ইসলামিক সেন্টার গড়ে উঠেছে।
লেখক তাঁর পরিবারের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন, বুয়েট থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর নাগরিকত্ব পেয়ে তিনি দুই পরিবারের স্বজনদের সেখানে আসার আবেদন করেন। তাঁর মাধ্যমে এক পরিবার থেকে ৩৩ জনের বেশি মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
এ ছাড়া লেখায় যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো, জন্মহারে অনাগ্রহ এবং অভিবাসন কমে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় শ্বেতাঙ্গদের অনুপাত ৫০ শতাংশের নিচে নেমেছে বলে দাবি করা হয়। বিপরীতে হিস্পানিক ও এশীয় জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধি এবং দক্ষিণাঞ্চলে হিস্পানিকদের ইসলাম গ্রহণের কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে।