1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
থামছে না মা ইলিশ ধরা, এখনই প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনা দুর্গাপূজা ও মহিষাসুরের ভিন্ন কাহিনী, আদিবাসী প্রসঙ্গ গাইড বইয়ের বিপরীতে পাঠ্যপুস্তকে প্রশ্নব্যাংক যুক্ত করার প্রস্তাব বিদ্যুৎ খাতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ জরুরি চাঁদপুর শহরের ব্যস্ততম এলাকায় অটো পার্টসের দোকানে চুরি শিশুদের চোখ ও স্বাস্থ্যের যত্ন ছোটবেলা থেকেই নিশ্চিত করতে হবে চাঁদপুরে ১২ মাদক কারবারি ও ২২ কিশোর গ্যাং সদস্য আটক কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী

গাইড বইয়ের বিপরীতে পাঠ্যপুস্তকে প্রশ্নব্যাংক যুক্ত করার প্রস্তাব

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে
গাইড বইয়ের বিপরীতে পাঠ্যপুস্তকে প্রশ্নব্যাংক যুক্ত করার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে গাইড বা সহায়ক বই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে যেন এক অনিবার্য উপাদান হয়ে উঠেছে। গাইডনির্ভর এই প্রবণতায় বিভিন্ন প্রকাশনীর বাণিজ্য বাড়লেও শিক্ষার্থীরা প্রকাশনীগুলোর নানা কৌশলের বেড়াজালে আটকে আছে। গাইড বইনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম না চালানোর সরকারি নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে।

লেখকের মতে, গাইড বই নিজে থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায় না; এর সঙ্গে প্রকাশনী, খুচরা বিক্রেতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী কোনো কোনো শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা প্রকাশনী বা লাইব্রেরির মাধ্যমে উপঢৌকন পেয়ে থাকেন।

লেখায় বলা হয়েছে, গাইড বইয়ের মান নিয়ে বিতর্কের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এ ধরনের বই শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা অর্জনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে কি না। বাজারের গাইড থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন হুবহু নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং শিখনের লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয় বলে লেখক মনে করেন।

পাঠ্যপুস্তকে প্রশ্নব্যাংকের প্রস্তাব

গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে পাঠ্যপুস্তকে অন্তত পাঁচটি রচনামূলক সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর এবং অন্তত ১০টি উত্তরবিহীন প্রশ্ন যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা উত্তরবিহীন প্রশ্নের সমাধান নিজেরা করবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সহযোগিতায় তা যাচাই করবে—এমন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।

লেখকের প্রস্তাব, অধ্যায়ভিত্তিক অন্তত ১৫টি প্রশ্নের সমন্বয়ে সমাধানসহ ও সমাধানবিহীন একটি প্রশ্নব্যাংক পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে। এতে গাইড বইয়ের অতিরিক্ত নির্ভরতা কমবে বলে তিনি মনে করেন।

বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ বইয়ে পর্যাপ্ত অনুশীলনী না থাকায় শিক্ষার্থীদের বাজারের সহায়ক বই কিনতে হয় বলেও লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ব্যাকরণে অনুশীলনের উপকরণ বাড়ানো, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজির বাংলা অনুবাদ এবং ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি প্রথম পত্রের প্যাসেজের বাংলা অনুবাদ যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

লেখায় যুক্তরাজ্য, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় সহায়ক বই বা প্রশ্নব্যাংক ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ের সঙ্গেও প্রশ্নব্যাংক যুক্ত করা হলে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে মত দেওয়া হয়েছে।

গাইড বইয়ের ব্যয় নিম্নবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করছে বলেও লেখায় বলা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের গাইড বই কিনতে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী বই কিনতে না পেরে পড়াশোনা থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ছে—এমন দাবি করা হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লেখক বলেছেন, গাইড বইয়ের বিকল্প হিসেবে পাঠ্যপুস্তককে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট