
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে হঠাৎ অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, শোনেন তাঁদের ভোগান্তির কথা। এ সময় অফিসের সার্বিক পরিবেশ ও দালালদের তৎপরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন তিনি।
অভিযানকালে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন সংসদ সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি সেবা নিতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানি, অনিয়ম কিংবা দালালের খপ্পরে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি সেবার পরিবেশ উন্নত করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় কয়েকজনকে দালাল হিসেবে চিহ্নিত করে কর্মরত আনসার সদস্যদের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোপর্দ করা হয়। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযানকালে পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. বজলুর রশিদকে পাওয়া যায়নি। তিনি ছুটিতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
আকস্মিক অভিযান শেষে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিস থাকবে দালালমুক্ত। আমি প্রতি শুক্রবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসি, তাদের সঙ্গে কথা বলি। তাদের অনেকেই এই পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির কথা বলেন। আজকে পাসপোর্ট অফিসে এসে যা দেখলাম, তাতে মনে হলো এখানের পরিবেশ ভালো না। এখানের পরিবেশ উন্নতির জন্য সবার সহযোগিতা দরকার।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা পারলে অন্তত সপ্তাহে দুবার এসে চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের খোঁজখবর নেবেন। আমরা দুর্নীতিমুক্ত পাসপোর্ট অফিস চাই।