
ফরিদগঞ্জে কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের এক ঘুসিতেই প্রাণ গেল বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক সিনএনজি রিক্সা চালকের। অভিযুক্ত আবুল বাশার পলাতক রয়েছে। বিল্লাল হোসেন সিএনজি অটোরিক্সা চালক। তার ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। হত্যার অভিযুক্ত আবুল বাশার পিতা মরহুম রুস্তম আলী নেভির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী।
শুক্রবার (১৩ মার্চ-২০২৬) বিকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কামাল ভেন্ডার, সাদ্দাম, রমজান আলী লিটন জানান, ইছাপুরা গ্রামের বিল্লাল হোসেন ও আবুল বাশার উভয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। বৃহষ্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) এসব বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন আবুল বাশার। শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) বিকালে স্থানীয় ইছাপুরা গ্রামের রমজান আলী লিটনের দোকানের সামনে উভয়ের মধ্যে এসব নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আবুল বাশার বিল্লাল হোসেনকে হঠাৎ করেই পিছন দিক থেকে ঘাড়ে ঘুসি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিল্লাল মাটিতে পড়ে যায়। দ্রুত স্থানীয় লোকজন উপজেলা সদরস্থ জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াবেটিকস সেন্টারে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে কাউছার হোসেন বলেন, আবুল বাশার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ঘুসি দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, তারা দুইজন প্রতিবেশি। তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে ঝামেলা ছিলো। শুক্রবার বিকালে কলাপাতা কাটা নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আবুল বাশার সিএনজি রিক্সা চালক বিল্লালকে ঘুসি দেয়। ঘটনাস্থলেই বিল্লাল মৃত্যু বরণ করেন।
এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত আবুল বাশার পলাতক রয়েছে।
# নারায়ন রবিদাস