
হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও বাজারে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা, পথচারী ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ও ধস নেমেছে।
রাজারগাঁও বাজার হাজীগঞ্জ উপজেলার দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ও প্রসিদ্ধ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম হয়। হাজীগঞ্জের পাশাপাশি মতলব উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষও নিয়মিত বাজারটিতে কেনাকাটা করতে আসেন। শনিবার ও বুধবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে ভিড় আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সমন্বিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়াই বাজারের প্রধান সড়ক ও ভেতরের গলিগুলো পাকা করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি নামতে না পেরে সড়ক ও গলিতে জমে হাঁটুপানিতে রূপ নেয়। এতে হাটে আসা সাধারণ মানুষ, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ৪-৫ বছর আগে নতুন সড়ক নির্মাণের সময় পূর্বে চালু থাকা ড্রেনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাজারের পূর্ব থেকে পশ্চিম বাজার এবং পশ্চিম বাজার ব্রিজ থেকে উত্তর বাজারের কামার পট্টি পর্যন্ত ওই ড্রেন ছিল। নতুন সড়ক নির্মাণের সময় বিকল্প ড্রেন না রেখেই সড়কটি পাকা করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সড়ক পাকা হওয়ায় যোগাযোগের সুবিধা তৈরি হলেও পরিকল্পিত ড্রেনেজ না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারে পানি জমে যায়। তখন ক্রেতাদের উপস্থিতি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
১নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান বলেন, তৎকালীন সময়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রেখেই অপরিকল্পিতভাবে সড়কটি পাকা করা হয়েছিল। এতে বাজারে আসা ক্রেতা-সাধারণ, পথচারী ও যানবাহন চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।